বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উদযাপনে শেষ বিকালেও রাজধানীতে নারী-পুরুষের ঢল নেমেছে— যে এক প্রাণের উচ্ছ্বাস। কর্মব্যস্ততা সেরে অনেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছেন। বৈশাখের সাজে এক অন্যরকম উৎসবে মেতেছেন তারা।
সোমবার (১৪ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় নগরীর রমনা পার্ক, মৎস্য ভবন মোড়, টিএসসি, শাহবাগ ও শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। তবে এসব এলাকায় মানুষের সমাগম থাকায় কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
যদিও সকাল থেকেই প্রাণের উৎসবে শামিল হয়েছেন নারী-পুরুষ ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ সর্বস্তরের বাঙালি। প্রচণ্ড দাবদাহের কারণে দুপুরে চাপ খানিকটা কম ছিল। বিকাল ৪টার পর কেউ হেঁটে, কেউ রিকশায় চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ফুচকা-চটপটিসহ ভ্রাম্যমাণ খাবার দোকানগুলোতে উপচেপড়া ভিড়। অনেকে প্রিয়জনদের পছন্দের জিনিস কিনে দিচ্ছেন।
শাহবাগ মোড়, টিএসসি, সংসদ ভবনের সামনেসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় বিকাল থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। সেখানেও অনেকে উপভোগ করছেন।
রামপুরা থেকে পরিবার নিয়ে রমনা পার্কে এসেছেন জানে আলম। তিনি জানান, সকালে একটু ব্যস্ততা ছিল। তাই বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় শামিল হতে পারিনি। তারপরও এ নিয়ে এক ধরনের আবেগ কাজ করে। তাই স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বিকালে আসলাম।
আগারগাঁওয়ের আমতলী থেকে শিশু কন্যাকে নিয়ে রিকশায় চড়ে ঢাবির টিএসসিতে এসেছেন গৃহিণী সাদিকা আক্তার। তিনি বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে গেছে। আর দুপুরে রোদের কারণে আসতে পারিনি। পড়ন্ত বিকালেও সন্তানকে নিয়ে বৈশাখী উৎসবে আসতে পেরে ভালো লাগছে।
বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে এদিন সকাল সোয়া ৬টায় রমনা বটমূলে শুরু হয় ছায়ানটের অনুষ্ঠান। আর ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার আয়োজনে বের হয় বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা।








