জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান স্মরণে রাজধানীর হাতিরঝিলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস’।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে শিল্পকলা একাডেমির সহায়তায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
অনুষ্ঠানে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জুলাই আন্দোলনে গড়ে তোলা প্রতিরোধের ওপর চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হয়। দ্রোহ ও বিজয়ের গান পরিবেশনা ও ড্রোন শো’র আয়োজন উপভোগ করেন হাজারো দর্শক।
এসময় নর্থ সাউথ, ব্র্যাক, ইস্ট ওয়েস্ট, ইউআইইউ, ড্যাফোডিল, ইউল্যাব, স্টেট, ইউডা, ইন্ডিপেন্ডেন্ট, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল, প্রাইম এশিয়া, ইউআইটিএস-সহ অসংখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার লিমন বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শুধু সক্রিয় অংশগ্রহণ করেননি, বরং প্রতিরোধের ব্যাটন তুলে নিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ১৮ জুলাই যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্যাম্পাস ফাঁকা করে দেওয়া হয়, তখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই আন্দোলনে নতুন মাত্রা জারি রাখেন। সেদিনই প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ হন।
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী জীবন আহমেদ বলেন, জুলাই আন্দোলনের পুরো দৃশ্যপট বদলে দিয়েছিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা তাদের জীবন দিয়ে এ দেশ থেকে স্বৈরাচার তাড়িয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৩০ জন শিক্ষার্থী ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছেন। তাদের স্মরণে প্রতিবছর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস পালন করা উচিত।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবসে অন্তর্বর্তী সরকারের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা ও বিশিষ্টজন এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।









