তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, বেসরকারি সংস্থা ‘আশা’র প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ও চেয়ারম্যান সফিকুল হক চৌধুরী আর নেই। বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আশা’র পরিচালনা পরিষদ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও তিন সন্তান রেখে গেছেন।
আশা’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুক্রবার বাদ জুমা রাজধানীর শ্যামলীর শিশুপল্লীতে জানাজা শেষে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, আশা’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট মো. সফিকুল হক চৌধুরী ১৯৪৯ সালে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানার নরপতি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ বিজ্ঞানে (সম্মান)-সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিসিএস ১৯৭৩ ব্যাচের প্রবেশনারী কর্মকর্তা হিসেবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়েও চাকরিতে যোগদান না করে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায় ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে আত্মনিয়োগ করেন এবং দীর্ঘ ৪০ বছর দরে উন্নয়ন কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত ছিলেন। সফিকুল হক চৌধুরী ১৯৭৮ সালে আশা প্রতিষ্ঠা করে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ২০০৬ সালে বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
‘আশা’ একটি বেসরকারি সংস্থা, যার পুরো নাম অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট। আশা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সমাজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে উৎসাহ যোগায় এবং এ লক্ষ্যে তাদের সংগঠিত করে।









