২০ ফেব্রুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক, ভাষা সৈনিক ও স্বাধীনতা পদকে (মরোণত্তর) ভূষিত জননেতা এ কে এম শামসুজ্জোহার ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানের পিতা এ কে এম শামসুজ্জোহা ছিলেন একাধারে আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, গণপরিষদের সদস্য ও স্বাধীনতা পরবর্তী জাতীয় সংসদ সদস্য।
এই জননেতা সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন এবং বাংলাদেশ বেতারের মাধ্যমে বিজয়ের বার্তা প্রচার করে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। ওই দিন অপরাহ্নে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা, বঙ্গবন্ধু কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পাকিস্তানি সেনাদের হাতে আটক বঙ্গবন্ধু পরিবারকে মুক্ত করতে গিয়ে পাকিস্তানি সেনা কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারায়ণগঞ্জের একটি সুধী সমাবেশে সেই ঘটনাটির বর্ণনা করেছিলেন।
তার আত্মার শান্তি কামনায় ১৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়নে শামসুজ্জোহা এমবি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া রবিবার দিনব্যাপী পবিত্র কোরআন খানি, শোক র্যালি, কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারতের পাশাপাশি পরিবারের পক্ষ থেকে চাষাড়া হীরা মহলে বাদ আছর এ কে এম শামসুজ্জোহা ও প্রয়াত বেগম নাগিনা জোহার রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
মরহুমের মেজো ছেলে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান ও ছোট ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান সকলকে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়ায় অংশ নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।
এ কে এম শামসুজ্জোহা নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জননেতা খান সাহেব ওসমান আলীও ছিলেন ভাষা সৈনিক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সাবেক এমএনএ। ঐতিহ্যবাহী এই পরিবারের আদি নিবাস নারায়ণগঞ্জের বায়তুল আমান ভবন আজও কালের স্বাক্ষী হয়ে আছে।









