রাজধানীর গুলিস্তানে দোকান মালিক, হকার ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনায় শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন, তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে যান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ নগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। গুলিস্তানে সংঘর্ষের ঘটনায় আটক শতাধিক
পল্টন থানার ওসি মোরশেদ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ার শেল, জলকামান ও রাবার বুলেট ব্যবহার করেছে পুলিশ। সংঘর্ষের সময় ডিএমপি’র মতিঝিল জোনের উপ-কমিশনার আনোয়ার হোসেনের মাথায় ইটের টুকরা লাগে। এতে তিনি আহত হন। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও জানান তিনি। সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে জানিয়ে ওসি মোরশেদ আলম বলেন, যাচাই-বাছাই করে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে না তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থলে যান ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে ও থাকবে। যারা এই জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে পুলিশ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে রাস্তা থেকে হকার উচ্ছেদ করেছে। এখন হকাররা যদি গোলমাল করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংঘর্ষের সময় ডিএমপি’র মতিঝিল জোনের উপ-কমিশনার আনোয়ার হোসেনও আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।
গুলিস্তানে ঢাকা ট্রেড সেন্টারের সামনের রাস্তা ও ফুটপাতে ব্যবসা করা নিয়ে হকারদের সঙ্গে ট্রেড সেন্টারের মালিক ও শ্রমিকদের সংঘর্ষ শুরু হয়। দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রায় দু’ঘণ্টা সংঘর্ষ চলে।
আরও পড়তে পারেন: গুলিস্তানে ব্যবসায়ী-হকার-পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষ
/জেইউ/এমএনএইচ/








