গুলিবিদ্ধ হওয়ার কারণেই জঙ্গি মারজান ও সাদ্দামের মৃত্যু হয়েছে। দুজনের লাশের ময়না তদন্ত শেষ করার পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ এই তথ্য জানান।
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সোয়া ১১টা নাগাদ দুই জঙ্গির লাশের ময়না তদন্ত করেন সোহেল মাহমুদ। ময়না তদন্ত শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি জানান, ‘গুলিতেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মারজানের শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে। তবে কোনও গুলি পাওয়া যায়নি। আর সাদ্দামের শরীর থেকে ৩টা গুলি বের করা হয়েছে।’
সোহেল মাহমুদ জানান, ডিএনএ টেস্টের জন্য দুই জঙ্গির লাশ থেকে উরুর মাংসপেশি সংগ্রহ করা হয়েছে। তারা শক্তিবর্ধক কোনও ওষুধ খেত কিনা তা পরীক্ষার জন্য ব্লাড ও ইউরিনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো মহাখালীতে রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। তাদের ভিসেরাও সংগ্রহ করা হয়েছে।
দুই জঙ্গির বয়সই ২৫ বছরের কাছাকাছি হতে পারে বলে জানান সোহেল মাহমুদ। তিনি একাই পোস্ট মর্টেম করেছেন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নব্য জেএমবির সামরিক কমান্ডার নুরুল ইসলাম মারজান ও তার সহযোগী সাদ্দাম নিহত হয়।
পুলিশ জানায়, মারজান ও তার সহযোগী সাদ্দাম মোটরসাইকেলে মোহম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকা দিয়ে রায়ের বাজারের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করে। কিন্তু তারা মোটরসাইকেল না থামিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে। আত্মরক্ষায় পুলিশ গুলি ছুড়লে তারা নিহত হয়। পরে তাদের লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
আরও পড়ুন-
লিটন হত্যা নিয়ে যা ভাবেন পৌর মেয়র
/জেএ/এফএস/








