‘চলন্ত রাস্তা’ নামে পরিবহন পদ্ধতির এক নতুন ধারণা উপস্থাপন করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা আবু সাইয়ীদ। শনিবার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এক সেমিনারে তিনি নতুন এই পরিবহন পদ্ধতির ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন।
আবু সাইয়ীদ দাবি করেছেন, ভূমির সঙ্গে পরিবহনের মূল কাঠামো মজবুতভাবে আটকানো থাকবে এবং এই শক্ত কাঠামোর ভেতর দিয়ে যাত্রীদের আসন, পাশের গ্রিল ও পরিবহনকে গতিশীল রাখতে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ চলমান থাকবে। নতুন এই পরিবহন পদ্ধতি যানজটমুক্ত করবে, পরিবেশ দূষণ কমাবে, জ্বালানি খরচ কমাবে এবং পরিবহন খাতের সার্বিক ব্যয়ও কমাবে।
ঢাকা শহরের যন্ত্রণাদায়ক যানজটের নিরসনকল্পেই নতুন এই পরিবহন পদ্ধতির ধারণা প্রস্তুত করা হয়েছে জানিয়ে আবু সাইয়ীদ বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণভাবে নগরীকে যানজট মুক্ত করবে।’
ধারণাপত্রে তিনি জানান, চলন্ত রাস্তা মূলত রাস্তার মাঝ বরাবর এবং রাস্তার দুই পাশে থাকবে। ভূমি থেকে দশ ফুট উপরে তা বসানো হবে। নির্মাণ, কারিগরি পদ্ধতি, বিদ্যুৎ বা জ্বালানি খরচ এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ তুলনামূলক অনেক কম ও সহজলভ্য হবে বলেও দাবি করেন আবু সাইয়ীদ।
তিনি বলেন, ‘আমার পরিবহন পদ্ধতির এই নতুন ধারণা যদি সরকার বাস্তবায়ন করতে চায়, তাহলে প্রাথমিকভাবে রাজধানীর একটি-দু’টি রুটে পরীক্ষামূলক রাস্তা নির্মাণ করতে পারেন। এই রাস্তা নির্মাণের ফলে কোটি কোটি টাকা খরচ করে এত ফ্লাইওভারেরও প্রয়োজন পড়বে না।’
এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- অভিনেতা ও নাট্যব্যক্তিত্ব কে এস ফিরোজ, অভিনেতা জয়ন্ত চট্টপাধ্যায়, প্রকৌশলী তৌহিদ আহমেদ প্রমুখ।








