কবি, লেখক, বুদ্ধিজীবী, কলামিস্ট ফরহাদ মজহারকে অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তার স্ত্রী ফরিদা আক্তার আপত্তি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশিদ আলমের আদালতে হাজির হয়ে ফরিদা আক্তার তার আপত্তির কথা জানান। একই সাথে নারাজি আবেদন দাখিল করার জন্য সময় চেয়ে আবেদন করেন ফরহাদ মজহারের স্ত্রী। পরে আদালত তা মঞ্জুর করে এই আদেশ দেন।
বাদীর আইনজীবী সৈয়দ জয়নাল আবেদিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মামলাটি ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করার অভিযোগে তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারের দায়ের করা মামলাটির সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়নি। এ কারণে আমরা প্রতিবেদনের আপত্তি দিচ্ছি। একই সঙ্গে মিথ্যা তথ্য ও বিভ্রান্ত অভিযোগে বাদীর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ও ১০৯ ধারায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাহাবুবুল ইসলাম প্রসিকিউসন মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়েছেন, যার কোনও ভিত্তি নেই। ’
উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই ভোররাতে মোহাম্মদপুর লিংক রোডের হক গার্ডেনের নিজ বাসা থেকে বের হন ফরহাদ মজহার। এরপর ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে তিনি তার স্ত্রীকে ফোন করে জানান, ‘ফরিদা, ওরা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’ পরে তার স্ত্রী আদাবর থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাতে র্যাব-৬ যশোর নওয়াপাড়া থেকে তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে আদাবর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) হাফিজ আল ফারুকের নেতৃত্বে তাকে যশোর থেকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর তাকে মিন্টো রোডের গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জবানবন্দি দেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হয়।








