‘মুজিববর্ষে’ ডিজিটাল ক্লাস চালু হবে ৫০৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

Send
এস এম আববাস
প্রকাশিত : ২১:৫৬, জানুয়ারি ২৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:০০, জানুয়ারি ২৬, ২০২০

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর (মুজিববর্ষ) মূল অনুষ্ঠানের আগে ভাষার মাসেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল ক্লাস রুম উদ্বোধন করা হবে। আর মুজিববর্ষ উদযাপনের সময় জুন মাসের মধ্যে ৫০৯টি বিদ্যালয়ের সব ক’টিতেই ডিজিটাল ক্লাস চালু হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল ক্লাস ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হাজিরা মনিটরিং করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে  ‘ডিজিটাল প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্প’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। প্রকল্প সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘ভাষার মসেই ডিজিটাল ক্লাস উদ্বোধন করা হবে। আর মুজিববর্ষের শুরুতেই ৫০৯টি বিদ্যালয়ের সবক’টিতেই ক্লাস চলবে। ডিজিটাল ক্লাস ও এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষককের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে মনিটরিং করা হবে মন্ত্রণায় থেকে।’

সচিব বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল ক্লাসরুম স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশা করছি।’ শিক্ষার গুণগত মান-উন্নয়নে সরকার সব রকম পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি জানান।

‘ডিজিটাল প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্প’-এর পরিচালক আছমা সুলতানা বলেন, ‘আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি বা প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের অভিমত নিয়ে নির্ধারিত দিনে মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল ক্লাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।  এরপর জুনের মধ্যে মুজিববর্ষ চলার সময় ৫০৯টি বিদ্যালয়ের সবক’টিতেই ক্লাস চালু করা হবে।’  

সহকারী প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘শেষ মূহূর্তের কাজ চলছে।১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ক্লাস রুম প্রস্তুত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কম্পিউটার ইনস্টলেশন হলেই ক্লাস নেওয়া সম্ভব হবে।’

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ডিজিটাল প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্প শুরু হয় ২০১৭ সালে। প্রকল্পের আওতায় দেশের ৫০৯ উপজেলা সদরে ডিজিটাল ক্লাসের জন্য ৫০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচন করা হয়। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একটি করে ক্লাস রুম স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।  ক্লাস রুম প্রস্তুত করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ডিজিটাল ক্লাস রুম ও ডিজিটাল ক্লাসের জন্য, কম্পিউটার, প্রজেক্টর ও অন্যান্য যন্ত্রসহ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১ কোটি টাকারও বেশি।  প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে আগামী জুন মাস পর্যন্ত।

সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত ৫০৯টি বিদ্যালয়, ৫০৯টি উপজেলা ও থানা শিক্ষা অফিস, ৫০৯টি উপজেলা ও থানা রিসোর্স সেন্টার, ৬৪টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং ৬৮টি প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) বায়োমেট্রিক (ডিজিটাল) হাজিরা মেশিন স্থাপন করা হয়। নির্বাচিত ৫০৯টি বিদ্যালয়ের ডিজিটাল ক্লাস রুমে সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। অফিস চলার সময় সিসি ক্যামেরাগুলো মন্ত্রণালয় থেকে মনিটরিং করা হবে।

/এমএনএইচ/

লাইভ

টপ