কারাবন্দিদের সার্বিক অবস্থা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৪:০৫, জুন ০২, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:০৭, জুন ০২, ২০২০

কারাগার

করোনা সংক্রমণের সময়কে ঘিরে দেশের কারাগারগুলোর সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়ে মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের এসব তথ্য জানাতে বলেছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৫ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই সংক্রান্ত রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২ জুন) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

গত ১৭ মে করোনার প্রাদুর্ভাব থেকে কারাভ্যন্তরীণ ৮৯ হাজার আসামির স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এই রিট দায়ের করেন।

রিটে দেশের সব কারাগারের কারাবন্দি ও কারারক্ষীদের স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ বাস্তবায়নের নির্দেশন চাওয়া হয়। তাছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশের আলোকে কী কী প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ ইতোমধ্যে কারা কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেছে তা আদালতকে জানানোর নির্দেশন চাওয়া হয়।

এর আগে, গত ১৪ মে মহামারি করোনাভাইরাস থেকে কারাবন্দিদের সুরক্ষিত রাখতে কারা কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানাতে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন আইনজীবী শিশির মনির।

নোটিশে বিভিন্ন কারাগার ও সংশোধনাগারে কারাবন্দিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং মুক্তির বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতি এবং পদক্ষেপ সম্পর্কে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল।

নোটিশে বলা হয়েছিল, করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা কারা বন্দিদের অবস্থা খুবই নাজুক। দেশের কারাগারগুলোতে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি বন্দি রয়েছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে দেশের ৬৮টি কারাগারে ৪১ হাজার ২৪৪ জনের স্থান থাকলেও বর্তমানে সেখানে ৮৫ হাজার বন্দি রয়েছে। এই অবস্থায় কারাভ্যন্তরে বন্দিদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা অসম্ভব। এরইমধ্যে ২৩ জন করারক্ষী এবং দুজন বন্দির শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ১২ মে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে একজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

তবে সেই নোটিশের জবাব না পেয়ে রিটটি দায়ের করা হয়।

 

/বিআই/এএইচ/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ