আবরারের স্মৃতিতে পলাশী চত্বরে স্তম্ভ

ঢাবি প্রতিনিধি
০৭ অক্টোবর ২০২০, ২১:৫০আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২০, ২২:২০

আবরারের স্মরণে স্মৃতি স্তম্ভ বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদের স্মৃতিতে ভারতীয় আগ্রসন বিরোধী ‘আট স্তম্ভ’ নির্মাণ করেছে ছাত্র অধিকার পরিষদ। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকালে পলাশী চত্বরে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন ছাত্র সংগঠনটির উদ্যোগে এটি স্থাপন করা হয়।

গত বছরের এই দিনে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে ছাত্রলীগের একদল সন্ত্রাসী নিমর্মভাবে পিটিয়ে আবরারকে হত্যা করে। তার স্মৃতি রক্ষার্থে ছাত্র অধিকার পরিষদ এই স্মৃতি স্তম্ভ স্থাপন করে। এই সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন।

আবরারের স্মৃতিতে পলাশী চত্বরে স্তম্ভ ভাষ্কর্যটিতে আটটি স্তম্ভ রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, আটটি স্তম্ভের ভিন্ন অর্থ: সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, গণপ্রতিরক্ষা, সম্প্রীতি ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, নদী-বন-বন্দর রক্ষা, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা, বি-উপনিবেশায়ন। স্তম্ভটির ফলকে লেখা রয়েছে- ‘অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা, অসীম মহাকাশের অন্তে’, ‘ভারতীয় আগ্রাসনের বিরোধিতা করায় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত, শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি ও চেতনা সমুন্নত রাখতে স্থাপিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, ‘এক বছর আগে আমাদের ছোট ভাই আবরার ফাহাদকে ওই ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী ও ভারতীয় দালালেরা পিটিয়ে নিমর্মভাবে হত্যা করেছিল। আজকে সেই পরিস্থিতি নেই, ঘরে ঘরে শত শত আবরার ফাহাদ তৈরি হয়েছে।’

আবরারের স্মৃতিতে পলাশী চত্বরে স্তম্ভ তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘এই স্তম্ভ উদ্বোধন করার কয়েক দিন আগে আবরারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলাম যে, তারা খুব ভয়ের মধ্যে আছে। তারা আজকে এই স্মৃতি স্তম্ভ উদ্বোধন করতে আসার সাহস পায়নি। তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে।’

এই সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের আবরারের স্মরণে ‘আবরারের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।

/এনএস/
সম্পর্কিত
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
কদমতলীতে ইন্টারনেট সার্ভিসের ৩ কর্মীকে মারধর
মেঘলা আকাশ আর বৃষ্টির পূর্বাভাস ঢাকায়, কমতে পারে গরম
সর্বশেষ খবর
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম