জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সবার সহযোগিতা সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন ভবিষ্যতের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে। আমরা সরকারিভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছি। এ জন্য মানুষকে শিক্ষিত করে তুলতে হবে। দক্ষ জনবল গঠন জরুরি।’
বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) বিল্ডিং রেসিলিয়েন্স টু ক্লাইমেট চেইঞ্জ থ্রো ক্রাফটম্যানশিপ’ শীর্ষক বই প্রকাশ উপলক্ষ্যে আয়োজিত ওয়েবিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ব্র্যাক আয়োজিত ওয়েবিনারে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন এবং ডিএফএটি প্রধান কেট স্যাংস্টার। বিশেষ আলোচক হিসেবে যোগ দেন সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ এর উপদেষ্টা ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আইনুন নিশাত এবং ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ।
সাবের হোসেন বলেন, ‘আমি মনে করি, এ ধরনের প্রকাশনা বাংলাদেশের ইতিহাস তুলে ধরবে। বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক উগান্ডা ও জাম্বিয়ায় দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করছে। যা আমাদের গর্বিত করে। আমরা কোভিড, আম্পানের মতো প্রতিকূলতা মোকাবিলা করছি। এসব প্রতিকূলতার সঙ্গে যুদ্ধ করেই আমাদের দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হচ্ছে। এ জন্য মানুষের প্রচেষ্টাই সবচেয়ে বড় বিষয়।’
ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন বরার্ট বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছে। আমরা আশা করি, ২০৫০ সালের দিকে এসে এর আমূল পরিবর্তন হবে এবং উন্নতি ঘটবে পরিবেশের। বাংলাদেশও দীর্ঘদিন ধরে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় কাজ করছে। তাদের আমরা সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি।’ দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে যুক্তরাজ্য সহযোগিতা দিতে আগ্রহী বলেও তিনি জানান।
ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্র্যাক কাজ করছে বহু এলাকায়। বিরূপ প্রভাব পড়ছে এমন এলাকাগুলোকে ব্র্যাক চিহ্নিত করে সেখানকার মানুষের জন্য কাজ করছে। প্রকৃতি পরিবেশ, জীববৈচিত্র রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। এই কাজ আসলে এককভাবে সম্ভব নয়। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে নিতে হবে।’








