বগুড়ায় পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এক শ্রেণির চাঁদাবাজ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফুটবল, ব্যাটমিন্টন, শর্টপিচ ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নামে প্রার্থীদের কাছে চাঁদা নিচ্ছে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কারের নামেও চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। ভোট হারানোর ভয়ে প্রার্থীরা চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তারা এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
বগুড়ার নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বগুড়ার ১২টি উপজেলায় মোট ১২টি পৌরসভা। মেয়াদ উত্তীর্ণ না হওয়ায় দুপচাঁচিয়া ও তালোড়া পৌরসভায় এবং সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় সোনাতলা পৌরসভায় নির্বাচন হবে না। আগামী ৩০ ডিসেম্বর ৯টি পৌরসভায় ৯জন মেয়র, ৯৩ জন কাউন্সিলর ও ৩১টি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মেয়র, সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরের অভিযোগ, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য গত ঈদ ও পূজার সময় শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টারিং করা হয়। এরপর থেকে চাঁদাবাজরা হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় নানা ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। তারা প্রার্থীদের অতিথি করে অনুষ্ঠানে যেতে বাধ্য করছেন। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সিমেন্ট, রড, বালুসহ নগদ অর্থ দাবি করা হচ্ছে। কেউ অনুষ্ঠানে যেতে না চাইলে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে সমর্থন করার ভয় দেখানো হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হচ্ছেন এবং দাবি অনুযায়ী চাঁদা দিচ্ছেন।
প্রার্থীরা আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এমন নীরব চাঁদাবাজি বন্ধের জন্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানের অনুমতি না দিতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পশ্চিম) আরিফুর রহমান মন্ডল জানান, ভোটের আগে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নামে চাঁদাবাজির ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/জেবি/এসটি/








