পৌরসভা নির্বাচনে যেখানেই আইন লঙ্ঘন সেখানেই অ্যাকশন নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, সবার যদি অসুবিধা হয়, তাহলে বুঝবেন সবার প্রতিই আমরা অ্যাকশন নিচ্ছি। এর মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের নিউট্রাল দিকটা আরও স্পষ্ট করছি।
‘ইসি বিএনপির প্রতি সদয় আর আওয়ামী লীগের প্রতি নির্দয় হচ্ছে’ এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি বলেন, আমরা আগেও বলেছি, আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। কারও চেহারা দেখে বা কারও প্রতি সদয় বা নির্দয় হওয়ার প্রশ্ন আসছে না। সবার সাংবিধানিক অধিকার দেওয়ার চেষ্টা করছি।
বিধিলঙ্ঘনকারী এমপি-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ বিষয়ে তিনি বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে আমার সবার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেব। ইতোমধ্যে এমপিদের শোকজ করেছি। তারা দুঃখপ্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া থানার ওসি ও নিজেদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা সবদিক থেকে আইনটা প্রয়োগ করছি।
বিধিলঙ্ঘনকারী এমপি-মন্ত্রীদের তালিকা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে চাওয়া হয়েছে কি না— জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন কোনও চিঠি আমরা পাইনি।
ভোটে হানাহানি ও সংঘাতের ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন’ আখ্যা দিয়ে সিইসি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত এই কালচারটা হয়ে গেছে। আবার সংবাদমাধ্যমে একই বিষয় বারবার দেখানোর কারণেও অনেক সময় সংঘাতের বিষয়টি বেশি হচ্ছে বলে মনে হয়। তবে যতদিন যাবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি উন্নতি করবে। এক সময় এমন দিন আসবে কেন্দ্রে পুলিশ, বিজিবি ও র্যাবের টহলের প্রয়োজনও পড়বে না।
এদিকে, ১০টি পর্যবেক্ষক সংস্থার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা তুলে তাদের পর্যবেক্ষণের অনুমতি না দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এটি নিয়ে রকিবউদ্দিন আহমদ বলেন, কমিশন বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
/ইএইচএস/এফএ/








