বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রি.জে.(অব.) আ স ম হান্নান শাহ্ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আপনি অনেক সার্টিফিকেট পেয়েছেন। এবার পদত্যাগ করুন। আর দেশটাকে বাঁচান।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি নেতা সরকারের সমালোচনা করে বলেন, শুধু এরশাদ নয়, এরশাদের চৌদ্দ গোষ্ঠীও সরকারের বিরোধিতা করতে পারবেনা। কারণ এরশাদ এবং শেখ হাসিনা ভারতের চাবি কাঠিতে নড়ছেন।
দেশে আইনের শাসন নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার নিজেদের জঙ্গি রক্ষা করছে, আর জঙ্গি ধরার নামে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছে।
মাদ্রাসা ছাত্র ও জঙ্গি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এতদিন বলা হচ্ছিলো মাদ্রাসার ছাত্ররা জঙ্গি হয়। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে যে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জঙ্গি হচ্ছে।
প্রশাসন নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য মিথ্যাচার করছে-মন্তব্যকরে হান্নান শাহ্ বলেন, ‘হিটলার বলেছিলেন একটা মিথ্যা কথাকে মানুষের সামনে হাজার বার বলো, তাহলে মানুষ তা সত্য বলে ভাববে। ঠিক তেমনি এই সরকার মিথ্যা কথাকে মানুষের সামনে হাজার বার উত্থাপন করছে। আর মানুষ তা সত্য বলে ভাবছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কথা উল্লেখ করে সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, ’১২শ মেগাওয়াটের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকার রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছে। আর এতে ১৩ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে রাশিয়া, বাংলাদেশকে দেবে সাড়ে ১১ মিলিয়ন ডলার। আর বাকি টাকা বাংলাদেশ সরকার দেবে। কিন্তু পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ভারতও রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছে। যাতে একহাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ৩ মিলিয়ন ডলার খরচ হবে। যা রাশিয়া দেবে। তাহলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ১০ মিলিয়ন ডলার কোথায় গেল?’
যতো দোষ নন্দ ঘোষ উল্লেখ করে হান্নান শাহ্ বলেন, গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে চীন টাকা দিল সিঙ্গাপুরের মাটিতে। আর দোষ হলো তারেক রহমানের। তাই যতো দোষ নন্দ ঘোষ।
আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের সভাপতিত্বে গোলটেবিল আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার পারভেজ আহমেদ, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের রহমতউল্লা, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।
আরও পড়তে পারেন: গুলশান হামলা: বিদেশি সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা
এসআইএস/ এমএসএম/








