বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি। শুক্রবার (১ মার্চ) বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল বের হয়। এতে নেতৃত্ব দেন দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
বিক্ষোভ মিছিলটি নাইটিঙ্গেলের দিকে এগিয়ে স্কাউট মার্কেট ঘুরে ফকিরাপুল অভিমুখে কিছুদূর এগিয়ে নয়াপল্টন মসজিদ ঘুরে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে রিজভী এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন।
রিজভী আহমেদ বলেন, ‘সরকার আইন, বিচার, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ধ্বংস করেছে। গণমাধ্যমকে ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে কব্জায় রাখার চেষ্টা করছে। সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে বলেই আমাদেরকে রাজপথেই অবস্থান নিতে হবে। মিডনাইট সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে।’
তিনি বলেন, ‘‘নির্দোষ বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে গায়ের জোরে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাজা দেওয়া হয়েছে। মানুষ হিসেবে খালেদা জিয়ার সব মানবাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য রাজপথই আমাদের একমাত্র ঠিকানা। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে রাজপথেই গণতান্ত্রিক শক্তির উদ্বেল অভিযাত্রা নিশ্চিত করতে হবে। তাছাড়া গণতন্ত্রের মুক্তি আসবে না, দেশের জনগণ চিরদিনের জন্য তাদের নাগরিক স্বাধীনতা হারাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসন এখন আরও নিষ্ঠুর চেহারা নিয়ে জনগণের কাঁধে চেপে বসেছে। দেশবাসীর জীবন ও নিরাপত্তা এখন গভীর সংকটাপন্ন। সাধারণ মানুষ গুমের ভয়ে, বিচার বহির্ভূত হত্যার ভয়ে, গায়েবি মামলার ভয়ে শঙ্কা ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। এই নৈরাজ্যজনক পরিস্থিতি চলতে দেওয়া যায় না। বিদ্যমান অন্ধকার অমানিশার অবসান ঘটাতে হবে। এজন্যই সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারের আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করতে হবে।’
মিছিলে ঢাকা মহানগর যুবদল, ছাত্রদল ও মৎস্যজীবী দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।







