টাকা পাচারকারীদের সঙ্গে ক্ষমতাসীনদের সম্পর্ক আছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তার অভিযোগ, সরকারের একটি অংশের অনুমতি নিয়েই দেশের টাকা বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। তবে কারা এই অনুমতি দিচ্ছে, কেন দিচ্ছে, কোন কারণে দিচ্ছে তা আমরা জানি না। এসব টাকা পাচারকারীকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৭ মে) ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ গণফোরামের কর্মিসভা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. কামাল প্রশ্ন রাখেন, 'এরা কারা–যারা টাকা পাচারের অনুমতি পাচ্ছে?’ পরে বলেন, ‘এসব তথ্য নিয়ে যদি সারাদেশে, থানায় থানায় মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়, তাহলে আমার বিশ্বাস দেশের মানুষ সচেতন হয়ে এদের রুখে দাঁড়াবে। দেশের সম্পদ পাচার বন্ধ হওয়া দরকার। যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।’
জনগণের ক্ষমতা দিয়ে দেশের সম্পদ রক্ষা করতে চায় গণফোরাম উল্লেখ করে কামাল হোসেন বলেন, 'আমরা সুষ্ঠু পথে জনগণের রাজনীতি করি। দেশকে এগিয়ে নিতে মানুষ অনেক কিছু করছে। কিন্তু সম্পদ পাচারকারীরা দেশ গড়ার বিপক্ষের শক্তি।’
বিদেশে টাকা পাচারকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে দাবি করে গণফোরামের সভাপতি বলেন, ‘এসব বিষয়ে যদি জনমত গঠন করা যায় তাহলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নড়তে হবে।’
তিনি বলেন, দেশের প্রবৃদ্ধি হার যদি অব্যাহত থাকে তাহলে আমরা অসাধারণ উন্নয়ন করতে পারি। কিন্তু উন্নতি অসম্ভব হয়ে যাবে যদি পুঁজি পাচার বন্ধ না করা যায়। দেশের টাকা দেশে থাকবে, বিনিয়োগ হবে, এটা নিয়ে তো কোনও বিতর্ক থাকার কথা না। টাকা পাচার দেশের সম্পদ লুটপাট করার শামিল।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক প্রমুখ।








