নতজানু সরকারের হাতে দেশের সার্বভৌমত্ব সংকটের মুখে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। তিনি দাবি করেন, ‘ক্ষমতাসীনেরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব না করায় দেশে খুন, গুম, ধর্ষণসহ সব অপরাধ বেড়েই চলেছে।’ শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিকালে রাজধানীর পুরাতন পল্টনে ইসলামী যুব আন্দোলনের ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘দেশ আজ আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছে বিষোদগার করা হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিতে যুবসমাজকে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।’
সম্প্রতি ছেলেধরাসহ নানা গুজব ছড়াচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘গুজবের জেরে গণপিটুনিতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু নিরীহ মানুষকে জীবন হারাতে হয়েছে। ভোটবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা সরকারের সবক্ষেত্রে দলীয়করণের ফলে দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়েছে।’
ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ মোছাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানি বলেন, ‘ইসলামী যুব আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের সব যুবককে একত্রিত করে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।’
দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম বলেন, ‘সত্যিকারের দেশপ্রেমিক সরকার ছাড়া কেউ প্রিয়া সাহার রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্যের বিচার করতে পারবে না। বর্তমান দেশে যে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীল অবস্থা চলমান, তা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে বাংলাদেশের সচেতন যুবকদের ইসলামী যুব আন্দোলনের ছায়াতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে ভুমিকা রাখতে হবে।’
ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কে এম আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন– দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল হুদা ফয়েজী, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নেছার উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহ-প্রচার সম্পাদক মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন সাকী, দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা শেখ মুহাম্মাদ নুরুন্নবী, রহমতুল্লাহ বিন হাবীব, ইলিয়াস হাসান, এস এম আজিজুল হক, মুফতী হোসাইন মো. কাওছার বাঙ্গালী প্রমুখ।








