হত্যার রাজনীতিই বিএনপির মূল প্রতিপাদ্য: তথ্যমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২২ আগস্ট ২০২০, ১৫:১৬আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২০, ১৬:৪৭

আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতার আসনে বসেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘হত্যার রাজনীতিটাই হচ্ছে বিএনপির মূল প্রতিপাদ্য। শুধু তাই নয়, জিয়াউর রহমান তার ক্ষমতাকে নিষ্কণ্টক করার জন্য সেনাবাহিনীর শত শত, হাজার হাজার জোয়ানকে হত্যা করেছে। খালেদা জিয়াও একই পথ অনুসরণ করেছেন। খালেদা জিয়া তার ক্ষমতাকে নিষ্কণ্টক করার জন্য এবং দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার আয়েশে ও খায়েশে শেখ হাসিনাকে ২১ আগস্ট হত্যা করার চেষ্টা করেছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই দায় খালেদা জিয়ারও, তারেক রহমানের একার নয়। তাই কানাডার আদালত বিএনপিকে রায় দিয়েছে, এটি একটি সন্ত্রাসী দল। সুতরাং আন্তর্জাতিকভাবেও বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল হিসেবে স্বীকৃত।’

শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দ্রুত বিচারের দাবি’তে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গতকাল ছিল ২১ আগস্ট, বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক একটি দিন। যেদিন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দিবালোকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড একই সূত্রে গাঁথা।’

খালেদা জিয়া তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গ্রেনেড হামলার দায় এড়াতে পারেন না মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রেনেড হামলার বিচার হয়েছে, তবে এখনও কার্যকর হয়নি। এই মামলার যদি বেগম খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করা না হয়, তাহলে অনেকেই মনে করে না এই বিচার সঠিক হয়েছে এবং আমিও তাদের সঙ্গে একমত। আমি গ্রেনেড হামলা মামলার একজন সাক্ষী। সুতরাং সাক্ষী হিসেবে বলবো, এই বিচার পরিপূর্ণ করার জন্য খালেদা জিয়াকেও বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন।’

বিএনপিকে উদ্দেশ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গতকাল বিএনপির নেতারা নানা কথা বলেছেন। যখন এই কথাগুলো আলোচিত হচ্ছে, তখন ঠাকুর ঘরে কে রে আমি কলা খাই না—তাদের বক্তব্যগুলো এমন। ওরা সবাই বিএনপি নেতা। যেটি একটি খুনিদের দল। যাদের রাজনীতি খুনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তাই আমি আজ মনে করি, বাংলাদেশ থেকে এমন খুনের রাজনীতি চিরতরে বিদায় করার জন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমি আরও মনে করি, বিএনপির উচিত সব কিছুর দায় স্বীকার করে জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া। তারপর তারা নতুনভাবে রাজনীতি করলে জনগণের কাছে যেতে পারবে। অন্যথায় যেভাবে তারা জনগণ থেকে একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপে বসবাস করছে, সেই বিচ্ছিন্ন দ্বীপেই তাদের থাকতে হবে। জনগণের কাছে আসতে পারবে না।’

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন টয়েল প্রমুখ।

/এইচএন/এফএস/এমএমজে/
সম্পর্কিত
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সব দলকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চাই, মানুষ ঠিক করবে তারা কাকে চায়: মির্জা ফখরুল
মুক্তি পেলেন সাবেক মেয়র আইভী
সর্বশেষ খবর
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম