মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হকের অপসারণ দাবি করেছে ইসলামি আইন বাস্তবায়ন কমিটি। সোমবার এক বিবৃতিতে ইসলামি আইন বাস্তবায়ন কমিটি অবিলম্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ‘হযরত শাহজালাল কমপ্লেক্স মাদ্রাসা’ ও ‘আবু বক্কর সিদ্দিক (রা.) মাদ্রাসা’ দুটি খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় কঠিন কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।এদিকে, পৃথক আরেক বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনও ছায়েদুল হককে অপসারণের দাবি জানিয়েছে।
এক যুক্ত বিবৃতিতে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির আমির মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস ও মহাসচিব মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ‘হযরত শাহজালাল কমপ্লেক্স মাদ্রাসা’ ও ‘আবু বক্কর সিদ্দিক (রা.) মাদ্রাসা’ দুটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে সরকারের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা মাদ্রাসা শিক্ষাবিরোধী মন্ত্রী ছায়েদুল হক তার নির্বাচনি এলাকায় দুটি কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই নোংরা ও নিকৃষ্ট কর্মের মাধ্যমে মন্ত্রী তার ইসলামবিদ্বেষী মনোভাবের বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশে আছে ইসলাম ও ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থা। যুগ-যুগ ধরে এদেশের কওমি মাদ্রাসাগুলো ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা বিতরণ করে দুর্নীতি, সামাজিক অনাচার, অভিশপ্ত যৌতুক প্রথা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের মূল-উৎপাটনে ভূমিকা রেখে আসছে। তারপরও কওমি মাদ্রাসাগুলো অহেতুক নজরদারি, হামলা-মামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না। বাংলাদেশের মতো একটি মুসলিম দেশে বিষয়টি গভীর উদ্বেগজনক।
পৃথক আরেক এক যুক্ত বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার হযরত শাহ জালাল কমপ্লেক্স মাদ্রাসা ও আবু বকর সিদ্দিক (রা.) মাদ্রাসা ও মসজিদ খুলে না দিলে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সরকারই দায়ী থাকবে। তিনি আরও বলেন, মাদ্রাসা-মসজিদ বন্ধের নায়ক মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হককে অপসারণ না করা হলে ধর্মপ্রাণ জনতা মসজিদ-মাদ্রাসা রক্ষায় আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
/সিএ/এমএনএইচ/








