২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে তিনটি জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নির্বাচনি কৌশলটা বুঝেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বিলেন, ‘পরপর তিনটি নির্বাচন আওয়ামী লীগ তিনটি ভিন্ন কৌশলে সম্পন্ন করেছে। তাদের কৌশলটা আমরা নির্বাচনের আগে বুঝিনি, পরে বুঝেছি।’
শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘ভোটাধিকার হরণের কালো দিবসের তৃতীয় বর্ষপূর্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘বিএনপি এ যাবৎকাল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি, এর একটিমাত্র কারণ রয়েছে, তা হলো গণতান্ত্রিক অধিকারটা ফিরিয়ে আনা। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা এবং ক্ষমতায় আসা—এগুলো বিএনপির মূল লক্ষ্য নয়। বিএনপি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলনের বাইরে ছিলাম। আর সাধারণ মানুষের আন্দোলন করার জন্য গা ছটফট করছে। জনগণ কিন্তু সারাবছর এবং মাসব্যাপী আন্দোলন করে না, তারা খেলার শেষ মুহূর্তে মাঠে নামবে এবং আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করবে। আমাদের ইগো প্রব্লেম দূর করতে হবে এবং এক নেতার ডাকে সবাইকে মাঠে নামতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে গয়েশ্বর বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন নিজে যদি সরকার বা শেখ হাসিনার আনুগত কর্মচারীর মতো আচরণ করে, তখন সেই নির্বাচন কমিশন বা অন্য কর্মকর্তা কর্মচারীরা কখনোই শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে নির্বাচন করতে পারেন না।’
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর, নিতাই রায় চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল প্রমুখ।









