বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘নারায়ণগঞ্জে পরিকল্পিতভাবে যুবদল কর্মী শাওন প্রধানকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নূরে আলম, আবদুর রহিম ও শাওনের আত্মত্যাগ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করবে, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে। তাদের রক্তমাখা শার্ট আজ জাতীয়তাবাদী শক্তির তথা বিএনপির প্রাণের পতাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শাওনের রক্ত বৃথা যাবে না, রাজপথেই এর ফয়সালা হবে এবং সরকারের সিংহাসন ধুলায় মিশে যাবে।’
শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বগুড়া শহরের নবাববাড়ি সড়কে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে শাওন প্রধানের গায়েবানা জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে অস্বাভাবিক হারে। এসবের জন্য আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ন্যূনতম অধিকারটুকু কেড়ে নিয়েছে এই সরকার। কয়েক দিন আগে আওয়ামী লীগের একটি সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, এখন থেকে বিরোধী দলের ওপর কোনও আক্রমণ করা হবে না; তাদের কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে। গণভবন ঘেরাও করলেও তাদের কিছু বলা হবে না। উনি মিথ্যা বলেননি। কারণ, উনি বলেছেন কাউকে আক্রমণ করা হবে না। কিন্তু কাউকে যে হত্যা করা হবে না—এ কথা তো তিনি বলেননি।’
রিজভী বলেন, ‘আমরা হয়তো শাওনের মায়ের হৃদয়বিদারক কান্না থামাতে পারবো না। কিন্তু জাতীয়তাবাদী শক্তি যদি জেগে থাকে তাহলে
আমরা দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারবো, গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারবো, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারবো এবং গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে রক্ষা করতে পারবো। সেই সঙ্গে আজকে অন্ধকারের মধ্যে আমাদের যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেই তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারবো।’
গায়েবানা জানাজায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, বগুড়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট একেএম সাইফুল ইসলাম ও যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল প্রমুখ।









