জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খাদিজার মুক্তি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা বিল প্রত্যাহার এবং শিক্ষা বাণিজ্য বন্ধ ও শিক্ষা উপকরণের দাম কমানোর দাবিতে সমাবেশ ও মিছিল করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সামনে থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এসে শেষ হয় এবং মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সুস্মিতা মরিয়মের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সভাপতি রাহুয়ান উদ্দিন। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির দফতর সম্পাদক অনিক কুমার দাস, কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুহাইল আহমেদ শুভ প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার একের পর এক কালাকানুনের মধ্য দিয়ে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করে মানুষের গলা টিপে ধরার পাঁয়তারা অব্যাহত রেখেছে। লেখক মুশতাক, কার্টুনিস্ট কিশোরসহ এই আইনে গ্রেফতারকৃত অসংখ্য মানুষের ওপর চরম নির্যাতন-নিপীড়নের চিত্র প্রমাণ করেছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন জনগণের নিরাপত্তার খাতিরে প্রণয়ন করা হয়নি বরং ভিন্নমত দমন করে সরকারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের স্বার্থেই ব্যবহৃত হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, সর্বশেষ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খাদিজাকে এই আইনে গ্রেফতার করে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। এমনি করে ছাত্র-শিক্ষক-শিল্পীদের ওপর যেমন দমন-পীড়ন চলছে, তেমনি শ্রমিকদের স্বার্থকে পদদলিত করার উদ্দেশ্যে অত্যাবশকীয় পরিষেবা বিল আসতে চলেছে। অত্যাবশ্যক শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, খানা, বাসস্থান, চিকিৎসার সুব্যবস্থা থাকা। এইগুলোর নিশ্চয়তা প্রদান ছাড়া অত্যাবশকীয় পরিষেবার কথা বলে শ্রমিকের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের পাঁয়তারা চলছে। একই সঙ্গে লাগামহীন ঘোড়ার মতো বৃদ্ধি পেতে থাকা দ্রব্যমূল্যের প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের ওপর। শিক্ষা উপকরণের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। লাখো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন আজ হুমকির মুখে।









