দলীয় গঠনতন্ত্র সময়োপযোগী করবে আওয়ামী লীগ। এরই অংশ হিসেবে গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য দেশের সব জেলা, উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দায়িত্বশীল নেতাদের পরামর্শ পাঠাতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। গঠনতন্ত্রের কোনও সুনির্দিষ্ট ধারা সংশোধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। সময়োপযোগী করতে কী করা যায় তার জন্য পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির ২০তম সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত গঠনতন্ত্র উপ পরিষদের এক সভায় এই সংক্রান্ত কথা আলোচনা হয়।
সভা শেষে গঠনতন্ত্র উপ-পরিষদ আহ্বায়ক ও আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ড. আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, কিছুদিন আগেও ইউনিয়ন, পৌরসভা নির্বাচন নির্দলীয় হতো। এখন এগুলো দলীয়ভিত্তিতে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা সেভাবেই ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে করেছি। কিন্তু আমাদের গঠনতন্ত্রে এই বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই—কিভাবে এই নির্বাচন পরিচালনা করব। প্রার্থী কিভাবে বাছাই করব—এই বিষয়টি গঠনতন্ত্রে গুরুত্ব পাচ্ছে।
গঠনতন্ত্র উপ-পরিষদ আহ্বায়ক বলেন, আমাদের যে সংসদীয় বোর্ড আছে, সেটা শুধু জাতীয় সংসদ সদস্যদের বাছাই করা হয়। আমরা ওই কমিটি বাড়িয়ে ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রার্থীদের বাছাই করেছি। এটা একটা অন্তবর্তীকালীন ব্যবস্থা ছিল। ভবিষ্যতে এটা আমরা কিভাবে করব, সেটা আসবে। তিনি বলেন, নতুন কতগুলো বিভাগ হয়েছে সাংগঠনিক সম্পাদক কিংবা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ বিভাগীয় পদ চিন্তা করছি কিনা। যেমন আমাদের আছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। এখন কথা উঠেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক করা, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বাড়বে কি না, জনসংখ্যা বাড়ছে। আমরা একটা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব কাউন্সিলে পেশ করব। সেখানেও অনেক সদস্য প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ পাবেন। পরে সেখানে চূড়ান্ত অনুমোদন হবে।
আরও পড়তে পারেন: ১২ জুন বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস
/পিএইচসি/এমএনএইচ/








