বিজয় দিবস উপলক্ষে তিন দিনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। থাকছে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নিয়মিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৬ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের ক্ষণে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে থেকে বিজয় শোভাযাত্রাও করবেন দলের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) দলটির দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবে আওয়ামী লীগ। এরপর সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য যাবেন নেতাকর্মীরা। সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, জিয়ারত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হবে।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্মসমর্পণ করেছিল হানাদার বাহিনী। তাই শনিবার বিকাল ৩টায় শিখা চিরন্তনে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে সমবেত হবেন ঢাকা মহানগরীর সব থানা শাখার আওয়ামী লীগের নেতা ও সংসদ সদস্যরা। এরপর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর অভিমুখে শুরু হবে তাদের বিজয় শোভাযাত্রা।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৭ ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা। এখানে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করবে দলটি।
সারাদেশে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করে যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী আর ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি এ আহ্বান জানান তিনি।








