দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করুক বিএনপি তা চায় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।
শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘প্রথম শহীদ মিনার ও পেয়ারু সরদার’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সম্মাননা স্মারক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আর মাত্র ২০ মাস বাকি। এখন থেকেই নির্বাচন যেন সুষ্ঠু না হয় তার জন্য বিএনপি ষড়যন্ত্র শুরু করে দিয়েছে। মানুষ ভোট দিক তারা তা চায় না। তারা চায় পিছনের দরজা দিয়ে কিভাবে ক্ষমতায় যাওয়া যায়।
নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি যেহেতু ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় যেতে চায় তাই তাদের ভোটেরও দরকার নাই, নির্বাচন কমিশনও দরকার নাই। তিনি বলেন, ফখরুল এবং রিজভীকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করলেও তারা বিরোধিতা করবে।
বিএনপির ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে জানিয়ে মায়া বলেন, পিছন দিয়ে, ডান-বাম দিয়ে আর ক্ষমতায় যাওয়া হবে না। সংবিধান মোতাবেক শেখ হাসিনার সরকারের অধীনেই সঠিক সময়ে নির্বাচন হবে। কেউ বাধা দিলে পিঠের চামড়া থাকবে না। শেখ হাসিনাকে মানুষ ভালোবাসে, তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ সোনার বাংলা হবে।
নির্বাচন কমিশন গঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি আশা করছি আজকেই একটি নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি আমাদের উপহার দিবেন। এই কমিশন বিএনপি এবং তাদের বুদ্ধিজীবীদের কাছে ছাড়া সারা দেশে সমাদৃত হবে বলে মনে করছি।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবার শকুনের চোখ পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আজ বিশ্বের নন্দিত নেত্রী। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে আমরা আবার আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনব।
অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন আমাদের সামনে ভাষা আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়নি। ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অবদান ষড়যন্ত্রমূলকভাবে লুকানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
ভাষা সৈনিক পেয়ারু সরদার ফাউন্ডেশনের আহবায়ক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৭ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ড. ওমর বিন আজিজ তামিমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এডভোকেট কামরুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নুরুল হুদা। বিশেষ আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক। এ ছাড়া অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন—আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী প্রমুখ।









