চারদিকে ষড়যন্ত্র চলছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, ‘এখন আমাদের ধৈর্য সহকারে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। ২০২৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। এটি হবে আজকে আমাদের শপথ।’
রবিবার (৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মোফাজ্জল হোসেন মায়া বলেন, 'আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে প্রত্যেকবারই তিনি রক্ষা পেয়েছেন। তাকে হত্যা করতে পারলে বাংলাদেশের ইতিহাস তারা আবার পাকিস্তানি কায়দায় নিয়ে যেতে পারবে।'
তিনি বলেন, 'আবার খালেদা জিয়া, জামাত-শিবিরেরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারা বারবার দেশীয়-আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত করতে চায়।'
তিনি আরও বলেন, 'অপশক্তি যেন মাথাচাড়া দিয়ে না উঠতে পারে, আর যেন হত্যা খুন না করতে পারে তার জন্য সজাগ থেকে ঐক্য গড়ার মধ্য দিয়ে অপশক্তিকে আমরা উৎখাত করবো।'
আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাড. কামরুল ইসলাম বলেছেন, 'স্বাধীনতাবিরোধীরা ষড়যন্ত্র করে চলেছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে বিদায় করতে হবে। আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।'
তিনি বলেন, 'করোনা মহামারি সুকৌশলে মোকাবিলা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা যখন অত্যন্ত কৌশলে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন তখন স্বাধীনতাবিরোধীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।'
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, 'বঙ্গবন্ধুর এগিয়ে যাওয়ার পথে যদি বঙ্গমাতা পেছন থেকে কাজ না করতেন তাহলে তিনি এতটুকু আগাতে পারতেন না। তাকে প্রেরণা জুগিয়েছিলেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব।'
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেন, 'পরিবারের আর্থিক বিষয় থেকে শুরু করে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে তার (বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা) যে কমিটমেন্ট তা বর্ণনাতীত। ৭ মার্চের গণআন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনেই তার সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতা ছিল।'
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব পরিষদের সহ-সভাপতি ডা. খালেদা খানম প্রমুখ।









