বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে কেন্দ্রীয় কমিটি। শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিকাল পৌনে ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে শোভাযাত্রা শুরু হয়।
অপরাজেয় বাংলা থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব, পুরানা পল্টন, নূর হোসেন চত্বর (জিরো পয়েন্ট) হয়ে ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হবে।
এর আগে দুপুর সোয়া ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে শোভাযাত্রার মঞ্চে জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক ইউনিটের পরিবেশনায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এরপর ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দুজন মানুষের মৃত্যু নেই। এদের একজন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যিনি স্বাধীনতা দিয়েছেন। মৃত্যু নেই শেখ হাসিনার, যিনি বাঙালি জাতিকে মুক্তি দিয়েছেন, বাঙালি জাতিকে বীর দর্পে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছেন। লিগ্যাসি অব বঙ্গবন্ধু উইল নেভার ডাই, লিগ্যাসি অব শেখ হাসিনা উইল নেভার ডাই।’
এ সময় তিনি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘আমরা হতাশ কেন হবো? রাজনীতি হলো কমিটমেন্টের বিষয়। কমিটমেন্ট থাকলে আপনার সফলতা আসবে, মূল্যায়ন একদিন হবেই।’
নতুন নেতৃত্বকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের যাদের ওপর নতুন দায়িত্ব, যাদের হাতে পতাকা, আপনারা অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।’ পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে যেন দেরি না হয়, সে বিষয়ে খেয়াল রাখার জন্য নির্দেশ দেন তিনি।
বক্তব্য দেওয়ার পর তিনি শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানবীর হাসান সৈকতসহ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, বিকাল ৪টায় শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দেওয়ার সময় মঞ্চ ভেঙে পড়ে। এতে ওবায়দুল কাদেরসহ ৯ নেতাকর্মী আহত হন।
আরও পড়ুন:









