আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, “জেনারেল জিয়া সরাসরি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।গতকাল মির্জা ফখরুল সাহেব বলেছেন, জেনারেল জিয়াকে নিয়ে এখন নাকি আমরা এক নতুন কল্পকাহিনী বানাচ্ছি। কী কারণে, কী উদ্দেশ্যে আমরা কল্পকাহিনী বানাবো? জিয়াউর রহমান যে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তার প্রমাণ হলো— এ হত্যার বিচার করা যাবে না এমন ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করছিলেন।”
শনিবার (১৯ আগস্ট) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল উপাসনালয়ে শোক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
নানক বলেন, ''সেদিন হঠাৎ করেই রেডিওতে ভেসে আসলো আমি মেজর ডালিম বলছি। সেদিন আমরা তীর্থের কাকের মতো ঘুরে বেড়িয়েছি এ ঢাকা শহরে। সেদিন আওয়ামী লীগের দুর্বলতার কারণে, নতুবা ভীরুতার কারণে অথবা কাপুরুষতার কারণে আমাদের এই লক্ষ কোটি মুজিবপ্রেমীদেরকে কেউ নির্দেশনা দিতে পারেনি। আর সে নির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ২১ বছর ভুগতে হয়েছে।”
নানক বলেন, পত্রিকায় এসেছে ভারত আমেরিকাকে বার্তা দিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির গুরুত্ব বুঝে শেখ হাসিনাকে কোনও ডিস্টার্ব করা যাবে না। কী পাপ করলো? মির্জা ফখরুল সাহেব বললেন যে ভারত যদি আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করে তাহলে আমরা সেটাকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেবো না। ভারত যে ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছিল সেটা কী ছিল তাহলে? সকলকে অনুরোধ করবো সতর্ক থাকতে হবে।
সভায় হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অতনু বর্মণের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি কাজল দাসের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। বিশেষ আলোচক ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সংসদ সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ নাথ, আওয়ামী লীগের সদস্য রেমন্ড আরেং; জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মিহির লাল সাহা, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লেখক ভাট্টাচার্য প্রমুখ।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত প্রমুখ।









