বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং খালাস পাওয়ার যোগ্য।’ মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) পুরান ঢাকার বকশিবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে তিনি এ কথা বলেন।
খালেদা জিয়ার ভাষ্য, ‘মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুদকের উপ-পরিচালক হারুন অর রশীদ ১৫ দিনের মধ্যে কোনও দালিলিক প্রমাণ ছাড়া আমার বিরুদ্ধে একটি হয়রানিমূলক অভিযোগপত্র দাখিল করেন, এর কোনও ভিত্তি নেই।
মামলায় বলা হয়, সোনালী ব্যাংক রমনা শাখা থেকে মানি ট্রান্সফার করে সোনালী ব্যাংক গুলশান নর্থ শাখায় স্থানান্তর করেন খালেদা জিয়া। তার দাবি, এই তথ্যটি মোটেও সত্যি নয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার জন্য এই ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক অভিযোগের ভিত্তিতে এই মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।’
সফিউদ্দিন মিয়া ও হারুন অর রশীদ উভয়ই সোনালী ব্যাংক গুলশান নর্থ শাখার কর্মকর্তা হিসেবে যে সাক্ষী দিয়েছেন তার কোনও ভিত্তি নেই বলেও উল্লেখ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘তারা সোনালী ব্যাংকের যে শাখার সাত নম্বর অ্যাকাউন্টের ওপেনিং ফরম ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ফটোকপির স্বাক্ষর দাখিল করেছেন তা আমার নয়।’
সবশেষ বিচারককে লক্ষ্য করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমি এই মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান ও আদালতে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’
দুর্নীতির দুই মামলায় মঙ্গলবার সকালে জামিন পেয়েছেন খালেদা জিয়া। বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আখতারুজ্জামান জামিন আবেদন মঞ্জুর করার সঙ্গে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্যও আদেশ দেন।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট বিষয়ে দুদকের করা এই দুই মামলায় গত বছরের ১২ অক্টোবর খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।








