বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার প্রতিনিয়ত অবনতি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘খালেদা জিয়াকে বর্তমান অবৈধ সরকার সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি করার পর তাকে সুচিকিৎসা না দেওয়ায় প্রতিনিয়ত তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে। গতকাল তার সঙ্গে স্বজনরা দেখা করেছেন। তিনি এখনও গুরুতর অসুস্থ।’
শনিবার (৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘সরকারের নিষ্ঠুর নির্যাতনের কারণে দীর্ঘদিন থেকে তার ঠাণ্ডা-জ্বর সারছেই না। নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হলেও তার ইচ্ছানুযায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। তাকে কষ্ট দিয়ে তিলে তিলে শারীরিক অবস্থা আরও খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।’
রিজভী বলেন, ‘গুরুতর অসুস্থ দেশনেত্রীকে চিকিৎসা না দিয়ে উল্টো শেখ হাসিনা নিষ্ঠুর রসিকতা করেছেন। নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী চিকিৎসা পাওয়া যেকোনও বন্দির অধিকার। কিন্তু ভোটারবিহীন সরকার খালেদা জিয়ার প্রতি যে আচরণ করছেন তা অমানবিকতারই বহিঃপ্রকাশ। আমি দলের পক্ষ থেকে আবারও তাকে পছন্দ অনুযায়ী ইউনাইটেড হাসপাতালে সুচিকিৎসার দাবি জানাচ্ছি। অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করছি।’
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দমন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেজন্য আজ (শনিবার) রাজধানীর মোড়ে মোড়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনকে মনিটরিংয়ের নামে দাঁড় করিয়ে রাখা হবে বলে গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। যদি আওয়ামী লীগ এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে, তাহলে জনগণ ও অভিভাবকরা তাদের ক্ষমা করবে না। এর পরিণাম শুভ হবে না।’








