সরকারের কারসাজিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সর্বগ্রাসী স্বৈরতন্ত্রে কোনও প্রতিষ্ঠানই তার স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারছে না। সরকারি সন্ত্রাসের প্রকোপে রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গগুলো স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের কর্তব্য পালন করতে পারছে না। মানুষের বেঁচে থাকার সব অবলম্বনকে ভেঙে ফেলা হয়েছে।’
বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) বেলা ১২টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
‘জনবিচ্ছিন্ন অবৈধ’ সরকার সারাদেশে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার দেখে পুলিশকে দিয়ে নির্বাচনে কারচুপির নীল-নকশা বাস্তবায়ন করতে মাঠে নেমেছে বলে দাবি করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘পুলিশের সদর দফতরে দিন-রাত দফায় দফায় বৈঠক চলছে। আমাদের কাছে বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে খবর আছে, নৌকার বিজয় ছিনিয়ে দিতে পারলে পুলিশের এসি, এডিসি, ওসিদের প্রমোশন এবং নগদ অর্থের প্রলোভন দেওয়া হচ্ছে। আওয়ামী লীগের নির্দেশনা কার্যকরের তদারকি করতে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাছে জোরালো দাবি, পুলিশের সদর দফতরে বসে যারা কুপরিকল্পনা করছে, তাদের অবিলম্বে সরিয়ে দিতে হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুলিশকে ৬৩ কোটি ২২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা, আনসার বাহিনীকে ১৬৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা, কোস্ট গার্ডকে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, বিজিবিকে ৩৩ কোটি ২ লাখ এবং র্যাবকে ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা অগ্রিম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গুঞ্জন আছে, সেনাবাহিনীর নামে কোনও বরাদ্দ না দিয়ে তাদের ব্যারাকেই রাখা হবে। এটি একটি অশুভ মহাপরিকল্পনার নির্বাচন করারই পূর্ব লক্ষণ।’








