কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রুটিন চেকাপ করা হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা জন্য বাড়তি বাড়তি খরচ হলে বা তার চিকিৎসার সব খরচ আমরা বহন করবো। সরকার তাকে সুচিকিৎসা না দিয়ে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’
মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘গত বছরের ৯ নভেম্বর থেকে তার কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়নি। ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালতের নির্দেশে তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড কারাগারে গিয়ে দেখেছেন তিন মাস তার রক্তের পরীক্ষাও করা হয়নি। তারা অত্যন্ত বিস্মিত হয়েছে।’
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে এক বছরের বেশি সময় পরিত্যক্ত কারাগারে তাকে আটকে রেখেছে। চিকিৎসার অভাবে খালেদা জিয়ার কিছু হলে এই সরকারকে সব দায় দায়িত্ব নিতে হবে। কারাগারে যাওয়ার সময় খালেদা জিয়া পায়ে হেঁটে এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে এসে পায়ে হেঁটেছেন। এখন তিনি কারও সাহায্য ছাড়া দাঁড়াতেও পারেন না। এছাড়া তার ডায়বেটিসসহ অন্যান্য রোগগুলো বেড়েছে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, গত ৪ মাস ধরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার আইনজীবী ও দলীয় নেতাদের দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। আগে সপ্তাহ পর পর স্বজনদের দেখা করতে দিলেও,তা এখন সীমিত করে দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।








