ইলেকট্রনিং ভোটিং মেশিন (ইভিএম) বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার চিরতরে কেড়ে নেওয়ার একটি যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘এই ইভিএম হচ্ছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নীরবে নিঃশব্দে একটি প্রকল্প ছাড়া আর কিছুই নয়। ইভিএম যদি আপনারা (নেতাকর্মীরা) বন্ধ করতে না পারেন তাহলে আপনারা ভোটাধিকার চিরতরে হারাতে বাধ্য হবেন।’ শনিবার (১১ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দল আয়োজিত ‘এক-এগারোর প্রেক্ষাপট ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘সামনে যে সিটি করপোরেশন নির্বাচন সেটি নাকি হবে ইভিএমের মাধ্যমে। মধ্য রাতের নির্বাচনে ব্যালট চুরির মাধ্যমে যে নির্বাচন হয়েছে, সেটি কিন্তু বিশ্ববাসীর কাছে ও বাংলাদেশের মানুষের কাছে দিন-দুপুরে ভোট ডাকাতির নির্বাচন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রয়েছে। সুতরাং এখন আর ব্যালট বাক্স ভর্তি করে কারচুপির নির্বাচন করার সুযোগ নাই। কারণ, সেটি এখন তাদের কাছে অত্যন্ত কঠিন হয়ে গেছে। এটা বিশ্ববাসী এবং বাংলাদেশের মানুষের কাছে ভোট কারচুপির নির্বাচন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সেই কারণে এটা এখন তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’
‘আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপির প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’
আজ বিএনপির প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ নয় মন্তব্য করে আমির খসরু বলেন, ‘আজ আমাদের প্রতিপক্ষ আর আওয়ামী লীগ নেই। প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস।’ বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, ‘আগে আলোচনা হতো নির্বাচনে কে জিতবে। এখন আর সেটি আলোচনা হয় না, আলোচনা হয় এই সিটটা ওরা দেবে নাকি নিয়ে নেবে। ঢাকা দুই সিটির নির্বাচনে ওরা কি দুটোই নিয়ে নেবে নাকি একটি দেবে। এইগুলো এখন জনগণ আলোচনা করে। আর এটার জন্য ইভিএম হচ্ছে তাদের মোক্ষম একটি অস্ত্র।’
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন ফারুক, আয়োজক সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সালাউদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন সরদার, কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার প্রমুখ।








