বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জানতে নেতাকর্মীদের তার জীবনকর্মের ওপর লেখা বই বেশি বেশি পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমানকে জানতে হলে তার ওপর লেখা বই পড়তে হবে। আমাদের স্বাধীনতাকে জানতে হলে বই পড়তে হবে।’
বুধবার (৯ জুন) রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বইমেলা উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থার যৌথ উদ্যোগে দলটির কার্যালয়ের নিচতলায় এ বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে।
মির্জা ফখরুল নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’, ‘প্রতি নায়ক’, ‘কাগমারী সম্মেলন স্মারকগ্রন্থ’, ‘আমার পতাকা ফেলানীর লাশ হয়’, ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ’, ‘জনগণের মুক্তিযুদ্ধ’ ও ‘ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান মওলানা ভাসানী’ ইত্যাদি গ্রন্থগুলো পড়তে হবে। এ সময় নেতাকর্মীদের তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতাও পড়ার পরামর্শ দেন।
জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালামের সভাপতিত্বে পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক মো. জহির দিপ্তীর সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে জিয়া স্মৃতি পরিষদের মো. শহিদুল ইসলাম, সাঈদ উদ জামান, সঞ্জয় দে রিপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।









