ধমক দিয়ে সচেতনতা আসে না: মির্জা ফখরুল

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১১ জুলাই ২০২১, ১৬:১০আপডেট : ১১ জুলাই ২০২১, ১৬:৪৯

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, লকডাউনের লক্ষ্যটা হচ্ছে মানুষকে মানুষের কাছ থেকে দূরে রেখে, দূরত্ব সৃষ্টি করে সংক্রমণটা প্রতিরোধ করা। সেটার জন্য তো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোথায় সেই সচেতনতা? খালি ধমক দিয়ে আর গরিব মানুষকে জেলের মধ্যে পুরে দিলে তো হবে না।

রবিবার (১১ জুলাই) ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। এদিন (১০ জুলাই) অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পরামর্শক কমিটির ‘কারফিউ জারির পরামর্শ’ সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আমি মনে করি কারফিউ জারিটা কোনও সমাধান নয়। এই লকডাউনেও যদি আপনি সঠিকভাবে সাধারণ মানুষের অর্থের ব্যবস্থা করতে না পারেন এবং সেখানে যদি তাদের খাদ্যের ব্যবস্থা করতে না পারেন সেখানে ওই অপরিকল্পিত লকডাউনও তো সঠিক সমাধান আনতে পারবে না।”

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেখেন পর পর যে লকডাউনগুলো হয়েছে, সরকারি ছুটি, লকডাউন, কঠোর লকডাউন- আমরা কিন্তু যেভাবে দূরত্ব সৃষ্টি করা দরকার, সামাজিক দূরত্ব, শারীরিক দূরত্ব, সেই দূরত্ব সৃষ্টি করা সম্ভব হয় নাই। লকডাউনে কি দেখা যাচ্ছে? মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে, কষ্ট পাচ্ছে, বলা যায় যে অনেকে খাদ্যের অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন।’

বিএনপি মহাসচিবের অভিযোগ, “আমি পত্রিকায় দেখলাম সাড়ে ৪ হাজার মানুষকে জেলে দেওয়া হয়েছে। এরা কারা? তারা সব সাধারণ গরিব মানুষ। তারা দিন আনে দিন খায়, হয়তো রিকশা চালায়, ঠেলাগাড়ি চালায়, হয়তো কোনও একটা রেস্টুরেন্টে চাকরি করে। এরা যখনই বেরিয়েছে তাদের ধরে নিয়ে গেছে। এমনও কথা বেরিয়েছে যে বাবার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার আনতে গেছে ছেলে, সেখানে তাকে গ্রেফতার করার ফলে সেই বাবা অক্সিজেনের অভাবে মারা গেছেন। এই অপরিকল্পিত ব্যবস্থার ফলেই কিন্তু আজকে এ ঘটনা ঘটেছে।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘‘আজকে ‘দিন আনে দিন খায়’ মানুষ, তারা কোনও সহযোগিতা পাচ্ছে না। ইনফরমাল সেক্টর তো এমনিতেই বিপর্যয়ে, তারা ছোট ছোট পুঁজি নিয়ে কাজ করে। দুইবার লকডাউনের ফলে এই ক্ষুদ্র মানুষগুলো তাদের পুঁজি হারিয়ে ফেলেছে, তারা নিঃস্ব হয়ে গেছে, পথে বসে গেছে।

ফখরুল বলেন, ‘আমি ব্রিটেনের খবর জানি, যুক্তরাষ্ট্রের খবর জানি, যারা ছোট ছোট রেস্টুরেন্ট চালান, ইনফরমাল সেক্টর যেগুলো আছে, এরা কিন্তু সকলেই আগেই প্রণোদনা পেয়ে গেছে। অর্থাৎ মাস শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রণোদনা পেয়ে যায়। ফলে তাদের ওখানে যারা কাজ করে তারা বেতন পেয়ে যায়, যারা মালিক তারাও ভালো একটা অর্থ পায়। দিস শোড বি এ গভর্নমেন্ট- এটাই হওয়া উচিত সরকারের।”

/এসটিএস/এমএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম