শুধুমাত্র আমলা নির্ভরতার কারণেই করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (৯ আগস্ট) এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের প্রয়াত সদস্য ফজলুর রহমান পটলের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভার আয়োজন করে তার পরিবার।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে এবং সত্যিকার অর্থেই জনগণের জীবন-জীবিকাকে বিপন্ন করে ফেলেছে।
তিনি বলেন, আমরা প্রথম থেকে সরকারকে সর্তক করেছিলাম, একটা জাতীয় কনভেনশন করে অথবা সমস্ত রাজনৈতিক দল; বিশেষজ্ঞ, সামাজিক সংগঠন, এনজিও- তাদের সমন্বয়ে একটা কমিটি গঠন করা হোক। প্রত্যেকটি লেভেলে যাতে করে জনগণকে সম্পৃক্ত করে এই সংক্রমণকে মোকাবিলা করা যায়।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য যে, এই সরকার এটাকে কর্ণপাতই করেননি। তারা শুধুমাত্র আমলাদের ওপর নির্ভর করে আজকে করোনা পরিস্থিতিকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গেছে।
লকডাউনের নামে তামাশা
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সরকার লকডাউন দেয়। কীসের লকডাউন কেউ বুঝতে পারি না আমরা? কখনও বলে লকডাউন, কখনও বলে সরকারি ছুটি। আবার কখনও বলে কঠোর লকডাউন। এই যে একটা অবস্থা তৈরি করেছে, সেটা তামাশা। তাদের কাছে মানুষের জীবন-জীবিকা একটা তামাশা।’
ফজলুর রহমান পটলের কন্যা দলের মানবাধিকার বিষয়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ফারজানা শারমিন পুতুলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মিজানুর রহমান মিনু, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কদ্দুস তালুকদার দুলু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত, ওবায়দুর রহমান চন্দন, নাটোরের আমিনুল হক, রহিম নেওয়াজ, লালপুরের ইয়াসীর আরশাদ রাজন, হারুনুর রশিদ পাপ্পু, গোপালপুরের নজরুল ইসলাম মোল্লা, বাগাতিপাড়ার জামাল হোসেন, মোশাররফ হোসেন ও হাফিজুর রহমান বক্তব্য রাখেন।









