সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ায় জাতি ক্রমাগত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: নিপুণ রায়

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
৩১ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৪৮আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২১, ১৫:০১

প্রাচীন রোম সাম্রাজ্যের শাসকদের ‘ডিভাইড এট ইম্পেরা’ নীতি প্রয়োগ করে ব্রিটিশরা এই উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলমান বিভেদ সৃষ্টি করে ‑ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘এতে শুধু জনগোষ্ঠীর সম্প্রদায়গুলোই নয়, জাতি হিসেবে আমরা ক্রমাগত দুর্বল হয়েছি। লাভ হয়েছে গণবিরোধী শাসকদের।’

রবিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধে এসব কথা উল্লেখ করেছেন নিপুণ রায়।

তিনি দাবি করেন, ব্রিটিশদের বিভাজন নীতির মাধ্যমেই হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করা হয়েছে সুকৌশলে। বিনষ্ট হয়েছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি।

নিপুণ রায় বলেন, ‘এই দেশের মানুষ যুদ্ধ করেছে স্বাধীনতার জন্য। এই যুদ্ধ হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সম্মিলিতভাবে করেছে। তখন সম্প্রদায়গত বিভাজন সামনে আসেনি। এটাই ছিলো সম্মিলিত শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস।’

‘একটি জনগোষ্ঠী আন্দোলনে অবতীর্ণ হয় অধিকার আদায়ের জন্য অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে। ফলে, মানুষের ঐক্যের শক্তি দুর্বল ও বিভাজিত হলে লাভ হয় স্বৈরশাসকেরই।’ বলেন নিপুণ।

তিনি বলেন, ‘মানুষ বিচ্ছিন্ন থাকলে তাতে লাভ হয় স্বৈরশাসকেরই।’

শারদীয়া পূজাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার প্রসঙ্গে নিপুণ রায় বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে শাসকদলই পরিকল্পিতভাবে মানুষ যেন ঐক্যবদ্ধ হতে না পারে, সেজন্য হামলা করেছে। একচ্ছত্র ক্ষমতার বিরুদ্ধে মানুষ যেন একতাবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারে।’ তিনি মনে করেন, ক্ষমতাসীনদের এই কৌশল সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে।

নিপুণ রায় বলেন, ‘ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দেশ, জাতি, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং সর্বোপরি দেশের বৃহত্তর লক্ষ্য অর্জনের অন্যতম প্রধান পূর্ব শর্ত।’

নারী ও শিশু ফোরামের আহ্বায়ক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিনা রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

/এসটিএস/এমএস/
সম্পর্কিত
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সব দলকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চাই, মানুষ ঠিক করবে তারা কাকে চায়: মির্জা ফখরুল
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম