X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

এটা টেস্ট কেস, দেখি সরকার কোন পথে যায়: গয়েশ্বর

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২২, ২০:৩১

দলের নেতাকর্মীদের আরোগ্য কামনায় আয়োজিত সভায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘নেতানেত্রীদের জন্য দোয়া করতে এখানে আমরা একত্রে হাত তুলতে এসেছি। এটা যদি বাধা না হয়; রাজপথে বাধা হবে কেন? জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শনিবার ও রবিবার উভয় দিনই বাধা ছিল। এটা একটা টেস্ট কেস, দেখি সরকার কোন পথে যায়।’

রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও করোনা আক্রান্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্থতা কামনা করে রবিবার (১৬ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় গয়েশ্বর এসব কথা বলেন।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় দলের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, ‘একটা সময় আসে‑যখন সকল কৌশলে সফল হওয়া যায় না। এখন সরকার যে কৌশলই করুক, তারা ব্যর্থ হবে; কারণ এখন সরকারের ব্যর্থ হওয়ার সময়। আর বিএনপি তার কৌশলে সফল হবে। কারণ, এখন বিএনপির সফল হওয়ার সময়। যেখানে জেলা সমাবেশ বন্ধ করা যায়নি, ১৪৪ ধারা দিয়েও জনগণকে রুখতে পারা যায়নি। সুতরাং এ ধরনের বিধিনিষেধ দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যায় না।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা যে কর্মসূচি (জেলায় জেলায় সমাবেশ) দিয়েছিলাম, তা তো স্থগিত করা হয়নি; পুনঃনির্ধারণ করে আপনাদের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। আপনারা প্রস্তুতি রাখবেন। যখন পুনঃনির্ধারণ করে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে তখন আরও অধিক শক্তি নিয়ে মাঠে নামতে হবে।’

সরকারের বিধিনিষেধ সরকারই মানে না বলে মন্তব্য করেন গয়েশ্বর। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বাণিজ্য মেলাসহ সব কিছুই তারা করছে এবং করবে। সরকার এখন আক্রমণে নেই: তারা আত্মরক্ষায় আছে। সুতরাং ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আত্মরক্ষায় বড় জোর সমান সমান হওয়া যায়; জয়লাভ করা যায় না।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির এ নেতা বলেন, এখন আমরা অ্যাক্ট করব; ওরা (সরকার) রিয়্যাক্ট করবে। আমরা আক্রমণ করব, ওরা আত্মরক্ষা করবে। আপনারা প্রস্তুতি নেন। জনগণ সরকারের খেলাটা কিভাবে নেয়-তা দেখার অপেক্ষায় ছিলাম। জনগণ সরকারের বিধিনিষেধকে খেলা বলছে। এখন তো আর ভয় নেই। জীবনভর কি সরকারের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করতে হবে? যে কর্মসূচিতে অনুমতি নিতে হয় না; সেই কর্মসূচি করা হবে।

আল্লাহর রহমত আছে বলেই বেগম খালেদা জিয়া বেঁচে আছেন বলে মনে করেন গয়েশ্বর। তিনি বলেন, এই সরকার যাবে। সরকার এখন কোমায়। সরকার যাবে বলেই এই ধরনের বিধিনিষেধ দিয়েছে। এই পুলিশ কেউ থাকবে না। অতীতে সরকার রক্ষার জন্য পুলিশ জীবন দেয়নি। বরং জনগণকে রক্ষায় পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। যদি কোনো বিচারপতি অন্যায় করে তাদেরও বিচার করা যাবে, যেহেতু দেশে সংবিধান আছে। দেশে যদি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়, সকল অন্যায়কারীরই বিচার হবে। কেউ রেহাই পাবে না।

এই দোয়া মাহফিল কর্মসূচিতে অংশ নেন ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সদস্য সচিব আমিনুল হক, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু। এছাড়াও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সরফত আলী সপু, তাইফুল ইসলাম টিপু, হাবিবুর রশিদ হাবিব, মহানগরের নবীউল্লাহ নবী, আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, যুবদলের সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, গোলাম মাওলা শাহীন প্রমুখ।

/এসটিএস/এমএস/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
নাটোরে নববধূসহ ২ জনের লাশ উদ্ধার
নাটোরে নববধূসহ ২ জনের লাশ উদ্ধার
কক্সবাজারের ক্যাম্প থেকে ধান কাটতে দিনাজপুরে, রোহিঙ্গা আটক
কক্সবাজারের ক্যাম্প থেকে ধান কাটতে দিনাজপুরে, রোহিঙ্গা আটক
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় ট্রাস্টির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় ট্রাস্টির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
বিদেশ থেকে পণ্য কিনে দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার ২
বিদেশ থেকে পণ্য কিনে দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার ২
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশ-ইইউ রাজনৈতিক সংলাপ ২৮ জুন
বাংলাদেশ-ইইউ রাজনৈতিক সংলাপ ২৮ জুন
গানের বুলবুল কাজী নজরুলের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী আজ
গানের বুলবুল কাজী নজরুলের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী আজ
বঙ্গবন্ধু যে ভালোবাসা আর সম্মানে বেঁধেছিলেন কবি নজরুলের মন
বঙ্গবন্ধু যে ভালোবাসা আর সম্মানে বেঁধেছিলেন কবি নজরুলের মন
পদ্মা সেতুতে ওঠার আগে অপপ্রচারকারীদের ক্ষমা চাওয়া উচিত: তথ্যমন্ত্রী
পদ্মা সেতুতে ওঠার আগে অপপ্রচারকারীদের ক্ষমা চাওয়া উচিত: তথ্যমন্ত্রী
প্রত্যাবাসনের অনিশ্চয়তায় রোহিঙ্গারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রত্যাবাসনের অনিশ্চয়তায় রোহিঙ্গারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী