গ্রিসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজিবির অস্ত্র-গোলাবারুদসহ বিমান দুর্ঘটনার পরিষ্কার ব্যাখ্যা দাবি করেছেন বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম এই সদস্য বলেন, ‘এই যে একটা বিমান ক্র্যাশ হলো, আমি খুব দুঃখের সঙ্গে বলছি— অস্ত্রসহ একটা প্লেন ক্র্যাশ হলো। এই অস্ত্র কার জন্য ওরা আনতে গিয়েছিল? এ বিষয়ে একটা পরিষ্কার ব্যাখ্যা আমরা চাই।’
সোমবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এসব কথা বলেন। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের সেমিনার কক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির রমনা থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং শাহবাগ থানার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সম্মেলন হয়।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আজকের প্রধানমন্ত্রী জাতিকে বিভক্ত করে দেশের উন্নয়ন করছেন। এমন উন্নয়ন করছেন যে, আমরা আজকে ছোট্ট একটা জায়গায় মিটিং করছি। আমাদেরকে বাইরে মিটিং করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। আজকে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানের সঙ্গে একটা কথা বলতে চাই, আমরা কিন্তু সামনের দিনগুলোতে ঘর থেকে মিছিল নিয়ে রাস্তায় যাবো। সব মিছিল যেকোনও একটা চৌরাস্তায় গিয়ে আমরা মিলিত হবো।’
তিনি বলেন, ‘এই মিছিল রমনা থেকে বের হবে, শাহবাগ থেকে বেরোবে, শাজাহানপুর থেকে বের হবে, ফরিকরাপুল থেকে বের হবে, মতিঝিল থেকে বের হবে। সব একসঙ্গে আমরা বঙ্গভবন কিংবা সরকারের সচিবালয় ঘেরাও করবো, মনে রাইখেন। সময় আসতেছে, গুলি করবে? অনেক গুলি কিনেছেন বিদেশ থেকে।’
ডলার সংকট প্রসঙ্গে
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এই আজকে বাংলাদেশে ডলারের ক্রাইসিস। আজকে বলা হচ্ছে, যদি এখন বিদেশ থেকে কোনও কিছু আমদানি করতে হয়, তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নিতে হবে। আমি ব্যবসা করবো এটা আমার লিবার্টি। আমি এলসি খুলবো, আমার ডলার যাবে, মালামাল আসবে। আমার দেশে ডলার নেই। কেন নেই?’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘কারণ, ট্রাংকে ট্রাংকে ভর্তি করে এই এয়ারপোর্ট দিয়ে বাংলাদেশের বহু ডলার বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। সেদিন পত্রিকায় আসলো যে, সুইস ব্যাংকে ৩/৪ হাজার কোটি ডলার রেগুলার জমা হচ্ছে। আমার দেশের ডলার যদি সুইস ব্যাংকে চলে যায়, এদেশের মানুষ বাঁচবে কীভাবে।’









