বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘তাদের (আওয়ামী লীগ) হাতে এখন মাত্র একটি অপশন, সেই অপশনটা হচ্ছে— ভয়ভীতি সৃষ্টি করে ক্ষমতা দখল করা। কিন্তু আমাদের মধ্যে কোনও ভয়ভীতি নেই। সেগুলো পার করে এসেছি, রাস্তায় নেমে গেছি। ফয়সালা হবে রাজপথে, আমরা কেউ ফিরে যাবো না... কেউ জীবিত (ফিরে) যাবো না। মৃত্যু যে হচ্ছে...আব্দুর রহিম, আলম ও শাওন; তারা মৃত্যুবরণ করেনি। তারা আমাদের সঙ্গে আছে, আমাদের হৃদয়ে রয়েছে, আমাদের আন্দোলনে রয়েছে’
শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর ধোলাইখালে এক সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যেদিন সরকারের পতন হবে, সেদিন বাড়ি ফিরে যাবো। এই যে রাস্তায় নেমেছি, হয়তো জীবন দিয়ে যাবো, নয়তো বেঁচে থাকলে দেশকে মুক্ত করে ছাড়বো। জীবন দিয়ে যাবো, পরিবারকে বলেছি, আমাদের জীবনের চিন্তা করবা না।’
তিনি বলেন, ‘বিদেশিদের চিন্তা করার দরকার নেই; বাংলাদেশ সম্পর্কে বিদেশিদের চিন্তা পরিষ্কার। এটা একটি চরম দুর্নীতি হয়ে গেছে, এদেশে মানবাধিকার বলতে কিছু নেই, এদেশে নির্বাচন ব্যবস্থা বলে কিছু নেই, এদেশে আইনের শাসন নেই, দেশের বাক স্বাধীনতা নেই, এ দেশের জনগণের নিরাপত্তা নেই। এ বিষয়গুলো সারা বিশ্বে পরিষ্কার হয়ে গেছে। সেই কারণে পুলিশ ও র্যাব প্রধানের উপর নিষেধাজ্ঞা এসেছে।’
রাজধানীর ধোলাইখাল কাজী কমিউনিটির সামনে বিএনপি মহানগর দক্ষিণের জোন-৬ ধুতরাপুর, গেন্ডারিয়া, ওয়ারী, কোতোয়ালি ও বংশাল থানার উদ্যোগে ‘জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং পুলিশের গুলিতে ভোলায় নুরে আলম, আব্দুর রহিম ও নারায়ণগঞ্জে শাওন প্রধান হত্যার প্রতিবাদে’ এই সমাবেশ হয়। দক্ষিণের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতা-কর্মীরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মিছিল নিয়ে এই সমাবেশে অংশ নেয়। সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।
এই সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানুল্লাহ আমান, ঢাকা দক্ষিণ বিএনপি'র আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সৈয়দ ইমরান সালেহ প্রিন্স, বিএনপি নেতা ফজলুল হক মিলন, নাজিমুদ্দিন আলম, ঢাকা দক্ষিণ বিএনপি'র সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু ও উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক প্রমুখ বক্তব্য দেন।









