বিএনপি নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এখন তো বিদ্যুতের বিল দেওয়ার দরকার নাই। শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আপনারা চেরাগের জন্য তৈরি হোন’। তাকে আমাদের প্রশ্ন; বাংলাদেশকে ইনশাল্লাহ চেরাগের জন্য তৈরি হতে হবে না। কারণ তার আগে আপনাকে বিদায় নিতে হবে। এই দেশ চেরাগের বাংলাদেশ নয়, এই দেশ আলোকিত বাংলাদেশ। চেরাগের দিন আমরা আনতে দেবো না।
শনিবার (৭ অক্টোবর) বিকালে মিরপুরের কালশীতে বিএনপির এক সমাবেশে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু এসব কথা বলেন। মহানগর উত্তর পল্লবী জোনের উদ্যোগে জ্বালানি তেল, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ভোলায় নুর আলম, আব্দুর রহিম, নারায়ণগঞ্জে শাওন প্রধান, মুন্সীগঞ্জে শহীদুল ইসলাম শাওন এবং যশোরে আব্দুল আলিম হত্যাসহ সারাদেশে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে এই সমাবেশ হয়। গত ১৫ সেপ্টেম্বর পল্লবী জোনের এই সমাবেশটি পুলিশি হামলায় পণ্ড হয়েছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে সরকার ‘দুঃস্বপ্ন’ দেখছে। শেখ হাসিনা নির্বাচনের কথা বলছেন, অনেকে ইভিএমের কথা বলছেন, যাওয়া-না যাওয়ার কথা বলছেন। উনারা কিন্তু দুঃস্বপ্ন দেখছেন। উনারা ভাবছেন এই সমস্ত বলতে বলতে বোধহয় নির্বাচনের দিন পার হয়ে যাবে। ওই গান এবার হবে না।
বিগত নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে আমির খসরু মাহমুদ বলেন, বিগত দিনে আমাদেরও দোষ আছে, আমরাও সুযোগ দিয়েছিলাম তাদেরকে এরকম একটা নির্বাচনের জন্য। আমাদের নেতাকর্মীরা কষ্ট পেয়েছে, প্রাণ দিয়েছে, জেলে গেছে। দুর্বৃত্তায়নের আরেকটা নির্বাচনের সুযোগ আমরা সৃষ্টি করে দিয়েছিলাম। এবার যারা সেই স্বপ্ন দেখছেন, বৃথা স্বপ্ন দেখবেন না। এই স্বপ্ন আর পূরণ হবার নয়।
সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, আমার শেষ কথা- রাস্তায় নেমেছি, বাড়ি ফিরে যাবো না। যেদিন বাড়ি ফিরে যাবো সেদিন স্বাধীন বাংলাদেশ করে বাড়ি ফিরে যাব। তার জন্য প্রাণ দিতে হয়, প্রাণ দেব। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জাতীয় সরকার গঠন করে ‘রাষ্ট্র সংস্কার’ এর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় এই সমাবেশে মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা নাজিম উদ্দিন আলম, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সাইফুল আলম নিবর, মহানগর দক্ষিণের রফিকুল আলম মজনু, যুব দলের সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মোনায়েম মুন্না, মামুন হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের ইয়াসীন আলী, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, মহিলা দলের হেলেন জেরিন খান, ছাত্র দলের কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।









