বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রোজা সংযমের মাস হিসেবেই জানি আমরা। কিন্তু এই মাসে সরকার সংযম দেখাতে পারেনি। শনিবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে আমাদের যে কর্মসূচি ছিল, সেখানে হামলা, ভাঙচুর ও গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দানবীয় সরকারের হাত থেকে রক্ষা করতে এক কাতারে শামিল হতে হবে।
রবিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন। রাজনীতিক, কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকদের সম্মানে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে গণফোরাম ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের দেশে এখন গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র নেই বলেই কারও অধিকার নেই। এমন একটি সরকার জোর করে ক্ষমতা দখল করে টিকে থাকার জন্য— অনেকগুলো আইন তৈরি করেছে। তারা সংবিধানের মৌলিক জায়গাগুলো পরিবর্তন করেছে।’
সভাপতির বক্তব্যে মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবাই আসুন ঐক্যবদ্ধ হই। দেশকে মহাদুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করি।’
জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, ‘এই জুলুমবাজ সরকারের হাত থেকে বাঁচতে হলে রুখে দাঁড়াতে হবে। এদেরকে বিদায় করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আজকে সরকার জনগণের বিরুদ্ধে, মানুষের বিরুদ্ধে। তাই এদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দেশে ভয়াবহ অরাজকতা চলছে, মানুষের মধ্যে বিভেদ ছাড়া এই সরকার কিছুই করতে পারেনি।’
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহামুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘এই সরকার অর্ধেক আছে, বাকি অর্ধেক ঈদের পর আন্দোলন গড়ে তুলে বিদায় করতে হবে।’
গণফোরামের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টুর সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে অংশ নেন— জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ, জাতীয় পার্টি একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান, জাগপার সভাপতি লুৎফুর রহমান, এবি পার্টির আহ্বায়ক এস এম সোলাইমান চৌধুরী, সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মনজু, বিপ্লবী ওয়াটার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, জাতীয় পার্টির মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরীসহ গণফোরাম ও বিপিপি'র কেন্দ্রীয় নেতারা।









