আওয়ামী লীগ সরকার এবং এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর কোনও নির্বাচন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান।
রবিবার (৩০ এপ্রিল) প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
এবার ২০১৮ সালের মতো নির্বাচন হবে না মন্তব্য করে আহমেদ আযম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিজেদের অধীনে নির্বাচন করার জন্য দেশে দেশে ধর্না দিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা বলছে, সংবিধানের অধীনেই নির্বাচন করবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের বাইরে নয়। আমরা আওয়ামী সরকার নয়, সংবিধান অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন চাই।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি সময়ে এসে উপস্থিত হয়েছি যেখানে গণতন্ত্র নেই, মানবাধিকার নেই, ভোটাধিকার নেই। অথচ সরকারি কর্মচারীরা এমন মিথ্যাচার করেন যাতে আমরা লজ্জিত হই। কিছুদিন আগে একজন বলেছেন বাংলাদেশের মানুষ বেহেশতে আছে। যদি বাংলাদেশের মানুষ বেহেশতে থাকে তাহলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কেন প্রথম আলোকর সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামসকে গ্রেফতার করা হলো? আমাদের মহাসমাবেশ বন্ধ করার জন্য ৭ ডিসেম্বর রুহুল কবীর রিজভীসহ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হলো কেন? এই সরকার অমানবিক। তাই যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ বলেছে এই দেশে মানবাধিকার নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার আমাদের সামাবেশ বন্ধ করতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি। লাখ লাখ মানুষ এসেছিল। তিন দিন আগে থেকে মানুষ চিড়া-মুড়ি নিয়ে নদী পার হয়ে সমাবেশে যোগ দিয়েছেন।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। সরকারকে স্বীকার করতে হবে ১৪ ও ১৮ সালে নির্বাচন হয়নি। স্বীকার না করলে পতনের মুখ দেখতে হবে। আমাদের ১০ দফা এই সরকারের পতন ঘটাবে। এই সরকারের পতন ঘটিয়ে আমাদের নেতা তারেক রহমান তার ২৭ দফা দাবির মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করবেন। তারই মাধ্যমে একইসঙ্গে আমরা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনও বাতিল করবো।’
বাংলাদেশে ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরও ছিলেন– ফোরামের উপদেষ্টা এম নাজমুল হাসান, বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী প্রমুখ।









