বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, আওয়ামী লীগ দেশের গণতন্ত্র হত্যা করেছে। অথচ তারা নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষের লোক বলে দাবি। তাদের দাবি সত্য হলে দেশের এই করুণ অবস্থা কেন?
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিশঃর্ত মুক্তি, দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সব কারাবন্দি নেতাকর্মীর মুক্তির দাবিতে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
কেন মৃত ব্যক্তিকে ভোট দিতে হয়, দিনের ভোট রাতে হয়, ১৫৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন প্রশ্ন রেখে জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে সংবিধানের দোহাই দেয় সেই সংবিধানকে তারাই টুকরো টুকরো করেছে। তারা ১৭৪ দিন হরতাল করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য। আবার তারাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে জবাই দিয়েছে। ৭ তারিখের নির্বাচনে সংবিধানকে আরেকবার জবাই করেছে তারা।’
আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এমপি এখন ৬০০ জন। ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আগের সংসদ (একাদশ) বহল থাকবে। সেই সংসদ সদস্যরা এখনও বহাল। আবার নতুন এমপিদের শপথ করালেন। সংবিধানের কোন আইনে শপথ করালেন তাদের?’
বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতির অঙ্গনে খুব খারাপ অবস্থা বিরাজ করছে। কিছুদিন আগে দেশে অগ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হলো। যে নির্বাচনে জনগণের উপস্থিতি ছিল শূন্য। অনেকেই বলেন, আমাদের আন্দোলন সফল হয়নি। কিন্তু আমরা সফল হয়েছি। আমরা হরতাল অবরোধের ডাক দিয়েছিলাম, অথচ আওয়ামী লীগ বাস পুড়িয়ে, রেললাইন উপিয়ে ফেলে, ট্রেনে আগুন দিয়ে আমাদের ওপর দোষ চাপিয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে ৭ জানুয়ারি নির্বাচন করেছে। সেই নির্বাচনে দেশের জনগণ ভোট দিতে যায়নি।’
গণতন্ত্র ফোরামের সভাপতি ভিপি ইব্রাহিমের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও ছিলেন– সাংবাদিক নেতা কাদের গণি চৌধুরী, তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ড. কাজী মনির, মৎসজীবী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম মিয়া, কৃষক দলের যুগ্ম সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বিপ্লব, গণতন্ত্র ফোরামের সমন্বয়কারী ইসমাইল হোসেন সিরাজী, কৃষক দলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কাদের সিদ্দিকী, আব্দুল্লাহ আল নাঈম প্রমুখ।









