বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ যাত্রায় কারা হচ্ছেন সফরসঙ্গী তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে দলের নেতাকর্মীসহ অনেকের।
জানা গেছে, বোয়িং ৭৮৭-৬ ড্রিমলাইনার এয়ারবাস দিয়ে পরিচালিত বিজি ২০২ ফ্লাইটে বিজনেস ক্লাসে তারেক রহমানের পক্ষে মোট ৬টি টিকিট কেনা হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সচিব আব্দুর রহমান সানি, দলের প্রেস উইংয়ের সালেহ শিবলী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কামাল উদ্দীনের জন্য টিকিট কেনা হয়েছে।
আরাফাত রহমান কোকোর দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান চাচার সহযাত্রী হচ্ছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এছাড়া এ ফ্লাইটের বিজনেস ক্লাসে এই ছয় জনের বাইরে নিজস্ব অর্থে যারা টিকিট কিনেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন—মাহিদুর রহমান, মুজিবুর রহমান মুজিব, খছরুজ্জামান খছরু, নাসির আহমদ শাহীন, রহিম উদ্দীন, আসাদুজ্জামান আহমদ, গোলাম রব্বানী, মঈন উদ্দীন, জুবায়ের বাবু, এম এ সালাম, ডালিয়া লাকুরিয়া প্রমুখ।
এ ফ্লাইটের বিজনেস ক্লাসের ওয়ানওয়ে টিকিট ৩ হাজার ৬০০ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে। যা বাংলাদেশি টাকায় ৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।
বিজনেস ক্লাসের বাইরে আরও প্রায় ৩৫ জন ইকোনমি ক্লাসের টিকিট কেটেছেন।
যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, ফিন্ড, ইটালীর বিএনপি নেতারাসহ ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে কিছু নেতারাও ইকোনমি ক্লাসের টিকিট কেটেছেন এ বিমানের ফ্লাইট। এর বাইরেও তারেক রহমানের গৃহকর্মীরাও আছেন। সব মিলিয়ে এই সংখ্যা ৫০ জনের বেশি।
যুক্তরাজ্য বিএনপির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বুধবার ভোরে বাংলা ট্রিবিউন প্রতিবেদককে জানান, ‘আমাদের নেতা উনার (তারেক রহমান) পরিবার ও ব্যক্তিগত স্টাফদের নিয়ে দেশে যাচ্ছেন। এর বাইরে অনেকেই যার যার মতো টিকিট কেটে একই ফ্লাইটে যাচ্ছেন বলে শুনেছি। তারেক রহমান সাহেব এয়ারপোর্টে বিদায় জানাতে বারবার নিষেধ করেছেন। তারপরও এলে আমার কিছু বলার নেই।’









