সরকারি প্রতিষ্ঠানে বড় পদে আফরোজা আব্বাস, প্রজ্ঞাপন জারি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট 
১৬ জুন ২০২৬, ২০:১৪আপডেট : ১৬ জুন ২০২৬, ২০:২৭

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ১৯৯১ সালের ধারা-৮(১) এবং ধারা-৮(২) অনুযায়ী যোগদানের তারিখ থেকে নিম্নবর্ণিত শর্তে জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান পদে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছর তিনি দায়িত্ব পালন করবেন। তবে উক্ত মেয়াদ শেষের আগে সরকার ইচ্ছা করলে যেকোনও সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবে। তিনিও সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রে যেকোনও সময় স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।

/এমকে/এম/
সম্পর্কিত
৯ লাখ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে সংসদে যা বললেন নিপুন রায়
আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনও একসঙ্গে যায়নি: মির্জা ফখরুল 
প্রতিমন্ত্রীর দুই ছেলে ও পৈতৃক বাড়ির নামে তিন ইউনিয়ন গঠন
সর্বশেষ খবর
বানেশ্বর হাটে ৫ জাতের আম খেয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বললেন, ‘দুটি বেশি মজা’
বানেশ্বর হাটে ৫ জাতের আম খেয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বললেন, ‘দুটি বেশি মজা’
প্রতিটি ইউনিয়নে কমপক্ষে ৮ বিঘার খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা সরকারের
প্রতিটি ইউনিয়নে কমপক্ষে ৮ বিঘার খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা সরকারের
পুলিশ-গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদারে তিন দিনব্যাপী কর্মশালা
পুলিশ-গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদারে তিন দিনব্যাপী কর্মশালা
সংসদে ‘অশ্লীল’ উপমা, জামায়াত এমপির বক্তব্য এক্সপাঞ্জের নির্দেশ
সংসদে ‘অশ্লীল’ উপমা, জামায়াত এমপির বক্তব্য এক্সপাঞ্জের নির্দেশ
সর্বাধিক পঠিত
মাগুরার নতুন ডিসিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হলো
মাগুরার নতুন ডিসিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হলো
ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত হতে চাই: ডা. জাহেদ 
ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত হতে চাই: ডা. জাহেদ 
প্রতিমন্ত্রীর দুই ছেলে ও পৈতৃক বাড়ির নামে তিন ইউনিয়ন গঠন
প্রতিমন্ত্রীর দুই ছেলে ও পৈতৃক বাড়ির নামে তিন ইউনিয়ন গঠন
নতুন করে আস্থার সংকটে ইসলামী ব্যাংক, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি 
নতুন করে আস্থার সংকটে ইসলামী ব্যাংক, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি 
এভাবে ফেলায় রাখিয়েন না, বাচ্চাগুলা মরে যাবে, সীমান্তে কাঁদছেন মা
দুদিন ধরে শূন্যরেখায়এভাবে ফেলায় রাখিয়েন না, বাচ্চাগুলা মরে যাবে, সীমান্তে কাঁদছেন মা