নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপর দলটিতে কেটে গেছে দীর্ঘ তিন যুগেরও বেশি সময়। এ সময়ে দলের বিভিন্ন পদে থেকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে ১৫ বছর দলটির মহাসচিব দায়িত্ব সামলেছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিএনপি তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দিয়েছে। সব ঠিক থাকলে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। মাঝে দলটিতে তিনি কোন সময়ে কোন পদে ছিলেন সেটি দেখা নেওয়া যাক।
সরকারি চাকরি থেকে ১৯৮৬ সালে পদত্যাগ করে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৯৮৮ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে দেশব্যাপী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে তাকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়।
২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ৫ম জাতীয় কাউন্সিলে মির্জা ফখরুলকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মনোনীত করা হয়। ২০১১ সালের ১৬ মার্চ বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর তাকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে ঘোষণা করেন দলের তৎকালীন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
ভারপ্রাপ্ত হিসেবে পাঁচ বেশি সময় দায়িত্ব পালনের পর ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ দলের ষষ্ঠ কাউন্সিলে তিনি পূর্ণ মহাসচিব নির্বাচিত হন। এরপর ১০ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারপ্রাপ্ত ও পূর্ণ মহাসচিব হিসেবে তিনি মোট ১৫ বছর এই পদে ছিলেন। তার এই পুরো সময়ে বিএনপিকে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। করতে হয়েছে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন। যার অন্যতম ভূমিকায় ছিলেন এই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।









