দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনি আসনে (ঢাকা-১৫) নারী সমাবেশ করেছে জামায়াত। দলের ঢাকা মহানগরী উত্তর, কাফরুল জোন (ঢাকা-১৫ আসনের উদ্যোগে) এক নারী সমাবেশ আসন পরিচালক কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসার সভাপতিত্বে
এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিকের পরিচালনায় মিরপুর-১৩ এর ৪ নম্বর কমিউনিটি সেন্টারে সোমবার (১৮ আগস্ট) বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও আমির ঢাকা মহানগরী উত্তর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সেক্রেটারি ঢাকা মহানগরী উত্তর সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম। এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও মিরপুর পূর্ব থানা আমির শাহ আলম তুহিন, কাফরুল দক্ষিণ থানা আমির উপাধ্যক্ষ আনোয়ারুল করিম, কাফরুল উত্তর থানা আমির রেজাউল করিম প্রমুখ। কয়েক হাজার নারী সমাবেশে যোগ দেন।
তবে মঞ্চে কোনও নারীর জায়গা হয়নি। কোনও নারী নেতাকে মঞ্চে দেখা যায়নি। দলের সূত্র জানায়, মঞ্চে না থাকলেও অংশগ্রহণকারী শ্রোতারা সবাই প্রায় নারী ছিলেন।
অনুষ্ঠানে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের তার বক্তব্যে বলেন, ৫ আগস্টের পরে বাংলাদেশের মানুষের বিশাল প্রত্যাশাকে সামনে রেখে জামায়াত কাজ করছে। জাতীয় সব ক্রান্তিলগ্নে ধৈর্য ধারণ করে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং সরকারের প্রতি প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন ছিল ভোটারবিহীন, ২০১৮ সালের নির্বাচন জাতির সবচেয়ে লজ্জাজনক এবং ২০২৪ সালের নির্বাচন ছিল প্রহসনমূলক। এই তিনটি নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিকে কবর দিয়েছে। তাই জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিয়ে ভবিষ্যৎ নির্বাচনসহ সব রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে। একইসঙ্গে বিদেশে থাকা দেড় কোটির বেশি প্রবাসীর ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং অস্ত্র, পেশীশক্তি ও কালো টাকা মুক্ত নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
তিনি নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথমবার যারা ভোট দেবে তাদের কাছে পৌঁছানোর আহ্বান জানান এবং বলেন, এই আসনের ডা. শফিকুর রহমান শুধু জামায়াতের আমিরই নন, তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত, গ্রহণযোগ্য ও আস্থাভাজন ব্যক্তি। তিনি তার দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে একজন শীর্ষস্থানীয় জাতীয় নেতা হয়েছেন। সংকটময় মুহূর্তে তিনি দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি তার দলের দায়িত্ব চেয়ে, তার ব্যক্তিগত বা পারিবারিক দায়িত্বের চেয়ে সামাজিক, রাজনৈতিক জাতীয় দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। আমি আশা করছি, সবার সহযোগিতা এবং দোয়া নিয়ে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাকে চাইলে ইনশাল্লাহ তিনি এখানে বিজয় লাভ করবেন।









