জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হসেইন মুহম্মদ এরশাদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নিজ নির্বাচনি এলাকা (ঢাকা ৪) শ্যামপুর-কদমতলীর প্রায় ৩ হাজার মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা।
শুক্রবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টায় কদমতলী থানার ৫২ নং ওয়ার্ডের চৌরাস্তা মোড়ে এলাকাবাসীর মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। পরে ৫৩ নং ওয়ার্ডের ইসলামাবাদ, ৫৯ নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদবাগ চৌরাস্তা মোড়, ৫৪ নং ওয়ার্ডের বাগিচা এলাকা ও ৫১ নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেন তিনি। শনিবার ও রবিবার রাজধানীর শ্যামপুর-কদমতলির আরও অন্তত ১২টি স্পট থেকে অন্তত ৭ হাজার মানুষের মাঝে রান্না খাবার বিতরণ করবেন এমপি বাবলা।
আজ দিনব্যাপী খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে ঢাকা-৪ আসনের এমপি বাবলার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম প্রচার সম্পাদক শেখ মাসুক রহমান, সুজন দে, কদমতলী থানা জাপার সভাপতি শামসুজ্জামান কাজল, শ্যামপুর থানার সভাপতি কাওসার আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম মোল্লা, কদমতলী থানার সিনিয়র যুগ্ম সহ-সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান, সহ সভাপতি জুয়েল ওসমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল হোসেন মিন্টু ও কদমতলী থানার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজ্জল দাশ প্রমুখ।
খাদ্য বিতরণের সময় সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা বলেন, ‘প্রয়াত পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইসলামী মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি যেমন রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম ও শুক্রবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছিলেন। ঠিক তেমনি শ্রৗকৃঞ্চের জন্মাষ্টমী ও বাংলা নববর্ষের দিনেও সরকারি ছুটি প্রদান করেছিলেন। তিনিই প্রথম রাষ্ট্রনায়ক যিনি টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি জিয়ারত করেছিলেন। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা ঘোষণার উদ্যোগ পল্লীবন্ধু এরশাদই সর্বপ্রথম নিয়েছিলেন।’
এরশাদ বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ সেক্টরে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এরশাদ ১৭ হাজার কিলোমিটার কাঁচা ও ৮ হাজার কিলোমিটার পাঁকা সড়ক নির্মাণ করেছিলেন। একই সঙ্গে এরশাদ নয় বছরে তার শাসনামলে আমার নির্বাচনি এলাকা পোস্তগোলায় বুড়িগঙ্গা সেতুসহ সারা দেশে ছোট বড় ৫৮০ সেতু সম্পন্ন করেছিলেন।’









